আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবারেও সংসদ অভিযানের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘোষণা করেছেন তিনি।
সোমবার দিনভর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর রাতে ফের যন্তর-মন্তরে ফিরে আসে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্যরা। সোমবার দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভ মঞ্চ সরিয়ে দেওয়ার পর সিজেপি সমর্থকেরা ফের যন্তর মন্তরে ফিরে এসে নতুন করে একটি তাঁবু ও অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করেন।
সেই মঞ্চ থেকেই অভিজিৎ দীপকে বলেন, ‘আমরা আবারও সংসদের উদ্দেশে মিছিল করব। যন্তর মন্তরের এই আন্দোলনস্থল ছেড়ে আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’ উল্লেখ্য, গত ৬ জুন থেকে যন্তর-মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে সিজেপি।
তাদের মূল দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। আন্দোলনে যোগ দিয়ে শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করেছিলেন। পরে তাঁকে আটক করে সফরজং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংসদের বাদল অধিবেশনের কারণে প্রস্তাবিত প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে আগেই নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। সংসদে অধিবেশন চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জারি ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এর ফলে ওই এলাকায় যেকোনো ধরনের বড় জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে সোমবার নির্ধারিত সময়ে যন্তর মন্তর থেকে মিছিল শুরুর আগেই লাঠিচার্জ করে এই প্রতিবাদ মিছিল ছত্রভঙ্গ করেছে পুলিশ।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিছিল শুরুর আগেই পুলিশ সংসদের উদ্দেশে প্রস্তাবিত মিছিলে লাঠি চালায়। চেষ্টা করা হয় প্রতিবাদ মিছিল ভেঙে দেওয়ার। ধুন্ধুমার কান্ড এলাকা জুড়ে।
ঘটনায় গোটা এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে সাফ জানিয়েছে, এ ধরনের কোনও প্রতিবাদ মিছিল বা সমাবেশের জন্য কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি এবং পুলিশও কোনও অনুমতি দেয়নি।
নিট পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছিল সিজেপি। তাদের সংগঠনটি মূলত বিরোধী দলগুলোর নেতা এবং তাঁদের অনুগামীদের সমর্থন পেয়ে আসছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ১৬৩ ধারা জারি থাকায় সেন্ট্রাল দিল্লির নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থল ‘যন্তর মন্তর’ ছাড়া অন্য কোথাও পাঁচজন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, কোনও মিছিল বা বিক্ষোভ প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
যন্তর মন্তরেও পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোনও কর্মসূচি করা যাবে না। পুলিশের তরফে নাকা চেকিং, অতিরিক্ত বাহিনী, সিসিটিভি নজরদারি এবং কড়া পাহারার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ।
















