আজকাল ওয়েবডেস্ক: সোমবার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মিছিল চলাকালীন আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের উপর দিল্লি পুলিশ ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ করেছিল- এই অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার জরুরি শুনানিতে রাজি হয়নি আদালত। 

প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, "এসবের মধ্যে আদালতকে টানবেন না।" বুধবার মামলাটির শুনানি হবে।

সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা 'নিট'-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামে সংগঠন 'কাকরোচ জনতা পার্টি'। তাদের সমর্থনে অনশনে বসা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে গত শনিবার জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। তারই প্রতিবাদে সোমবার যন্তর মন্তরে জমা হন শয়ে শয়ে পড়ুয়া।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ একের পর এক কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় ও লাঠিচার্জ করে। পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়েন বিক্ষোভকারীরাও। ঘটনায় ১১৮ জন পুলিশকর্মী-সহ অন্তত ১৭৮ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি দিল্লির পুলিশের।

অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশের মারে শত শত বিক্ষোভকারী জখম হয়েছেন। ঘটনাকে "গণতন্ত্রের লজ্জাজনক দিন" অ্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিজেপি।

উল্লেখ্য, মে মাসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বেকার যুবকদের ‘কাকরোচ’ বা আরশোলার সঙ্গে তুলনা করলে ব্যঙ্গাত্মক এই আন্দোলনের জন্ম হয়, যা সমাজমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ড সেই ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তোলে।