আজকাল ওয়েবডেস্ক: সিজেপির আন্দোলনের ভিড়ে কারা? দিল্লি পুলিশের তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল শোরগোল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন, যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ কর্মসূচি এবং 'সংসদ চলো' কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে ২৮৭৩জন নানা অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।
দিল্লি পুলিশের তথ্য, ২০ জুলাই থেকে ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভস্থলে অপরাধমূলক রেকর্ড থাকা ২,৮৭৩ জন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন—যাদের ‘ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম’ (মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ প্রযুক্তি) ও অন্যান্য কারিগরি পদ্ধতির মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে যে, বিক্ষোভস্থল ও তার আশেপাশের এলাকায় যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে এই ব্যক্তিরা জড়িত ছিলেন কি না।
পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, চিহ্নিত ২,৮৭৩ জনের মধ্যে ৯৮৯ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। যেমন— ১০১জন খুন অর্থাৎ হত্যা মামলায় জড়িত। হত্যাচেষ্টার ঘটনায় জড়িত ৬২ জন, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় ২৮৪ জনের নাম যুক্ত এবং ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ ৬১জনের বিরুদ্ধে, পকসো (POCSO) আইনের আওতায় অপরাধে ছ'জন, নারীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় ২৫ জন, অস্ত্র আইনের আওতায় অপরাধে ২২৯ জন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় ১৩৫ জন, অপহরণের ঘটনায় ১৯ জন এবং মাদক ও এনডিপিএস (NDPS) সংক্রান্ত অপরাধে ৬৭ জন জড়িত বলে জানা গিয়েছে তথ্য বিশ্লেষণে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, এঁদের মধ্যে একাধিক জনের বিরুদ্ধে আবার একাধিক মামলা হয়েছে নানা সময়ে। যেমন- হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১০১ জনের মধ্যে ৪২ জন দুই বা ততোধিক ফৌজদারি মামলায় জড়িত এবং ১২ জন দশ বা ততোধিক মামলায় জড়িত। ডাকাতি ও ছিনতাই মামলায় অভিযুক্ত ২৮৪ জনের মধ্যে ১৫৫ জনের দুই বা ততোধিক মামলা রয়েছে এবং ৩১ জনের দশ বা ততোধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, এঁদের মধ্যে অনেকেই আবার বারেবারে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হয়েছিলেন।
বিক্ষোভস্থল এবং তার আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে নানা তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। তথ্য, বিভিন্ন স্থানে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, একাধিক বিক্ষোভকারী পুলিশ ও নিরাপত্তা কর্মীদের ওপর হামলা, ব্যারিকেড ভাঙা, পাথর ছোঁড়া, পেপার স্প্রে ব্যবহার, যানবাহন ভাঙচুর, গাড়ির ভেতরে থাকা পুলিশ সদস্যদের মারধর, সরকারি সম্পত্তি ও দোকানপাটের ক্ষতিসাধন এবং বড় ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধের নির্দেশ লঙ্ঘন করেছে বলে দেখা গিয়েছে।
















