আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন যৌন মিলন, যৌন নির্যাতন, এমনকী ধর্ষণ। বিজেপি নেত্রীর ছেলের কীর্তি এবার সর্বসমক্ষে ফাঁস হল। যা ঘিরেই তোলপাড় গোটা রাজ্য। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের সাতনায়। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ২৭ বছর বয়সি এক তরুণী বিজেপি মহিলা কাউন্সিলরের ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্যাতিতা তরুণী আরও জানিয়েছেন, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েই যৌন নির্যাতন করেছেন ওই যুবক। 

 

পুলিশ আধিকারিক যোগেন্দ্র সিং পরিহার আরও জানিয়েছেন, গতকাল বুধবার রাতেই অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। বিজেপি কাউন্সিলরের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে জানা গেছে, তিনি জবলপুরের আশেপাশে আছেন। 

 

নির্যাতিতা তরুণী জবলপুরে এক বেসরকারি ব্যাঙ্কের কাজ করতেন। গত কয়েক বছর ধরেই পরিচিত ছিলেন দু'জনে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন তাঁরা। যৌন নির্যাতনের পর তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন অভিযুক্ত যুবক। 

 

তরুণী জানিয়েছেন, আগামী ২০ এপ্রিল তাঁদের বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা ছিল। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই বিয়ের আচার, অনুষ্ঠান শুরু করার কথা ছিল। তার আগেই পালিয়ে যান অভিযুক্ত যুবক। 

 

প্রসঙ্গত, গত বছর জুলাই মাসে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটেছিল। প্রসাদের লোভ দেখিয়ে পরপর দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের বিরুদ্ধে। মন্দিরের গর্ভগৃহে দুই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পুরোহিতকে গ্রেপ্তার করেছিল। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, ধর্ষণে অভিযুক্ত পুরোহিত মহাকাল আশ্রমের একটি শিব মন্দিরে পুজো করতেন। জানা গেছে, গত চার বছর ধরে এই মন্দিরের দেখাশোনা করতেন তিনি। আশ্রমটি এখনও নির্মীয়মাণ। সেই মন্দিরের মধ্যে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছিল। 

 

তদন্তে জানা গেছে, দুই নাবালিকা সম্পর্কে তুতো বোন। একজনের বয়স ছয়, অন্যজনের পাঁচ। পরিবারের তরফে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে দুই বোন উঠোনে খেলাধুলা করছিল। সেই সময়ে অভিযুক্ত পুরোহিত প্রসাদ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে মন্দিরে ডেকে নিয়ে যান। পুজোর প্রসাদ খাওয়ার লোভে দুই বোন একসঙ্গে পুরোহিতের সঙ্গেই চলে যায়। 

 

এরপর মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দুই বোনকে একসঙ্গে যৌন হেনস্থা করেন। ধর্ষণ করেন একে একে। রাতেই কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে পুরোহিতের কীর্তি ফাঁস করে দুই বোন। পরেরদিন সকালে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পকসো ধারায় পুরোহিতের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছিল। গ্রামবাসীরা জানিয়েছিলেন, এ নিয়ে তৃতীয়বার যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠল এই পুরোহিতের বিরুদ্ধে। আগের দু'বার থানায় অভিযোগ জানানো হয়নি।