আজকাল ওয়েবডেস্ক: গাড়িতেই ঘুমে কাদা চার বছরের খুদে। অথচ তাকে ফেলেই নেমে গেল পরিবার! এও আবার সম্ভব? এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল বেঙ্গালুরুতে৷ এই ঘটনায় শেষমেশ পুলিশের ভূমিকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। নিখোঁজ হওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশের তৎপরতায় ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল। শনিবার রাতে বেঙ্গালুরুর পোন্নাপ্পা লে-আউটের এই ঘটনায় রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, সপরিবারে ট্যাক্সিতে চড়ে বাড়ি ফিরছিল ওই শিশুটি। ক্লান্তিতে গাড়ির সিটেই সে ঘুমিয়ে পড়েছিল। গন্তব্যে পৌঁছনোর পর পরিবারের সবাই নেমে গেলেও, খুদে যে নামেনি তা কারও মাথায় আসেনি। চালকও কিছু না বুঝে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেন।

বাড়িতে ঢোকার পর সম্বিত ফেরে পরিজনদের। দেখেন, শিশু উধাও! চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। শেষমেশ উপায় না দেখে তড়িঘড়ি পুলিশের জরুরি হেল্পলাইন 'নম্ম ১১২'-তে ফোন করেন তাঁরা। অভিযোগ পাওয়ামাত্রই সক্রিয় হয় পুলিশ। যান্ত্রিক প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুত ট্যাক্সিটিকে খুঁজে বের করা হয়। চালককে ফোন করে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর গাড়িতেই ঘুমিয়ে রয়েছে শিশু। তাঁকে তখনই গাড়ি ঘুরিয়ে পোন্নাপ্পা লে-আউটে ফিরতে বলা হয়।

কিছুক্ষণ পরেই ওই ফ্ল্যাটে শিশুটিকে নিয়ে পৌঁছন চালক। কান্নায় ভেঙে পড়া মা-বাবার হাতে সন্তানকে তুলে দেয় পুলিশ। অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে পরিবারটি। তবে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, ছোট সন্তানদের নিয়ে যাতায়াতের সময় অভিভাবকদের আরও অনেক বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, খাস আদালত কক্ষেই বিচারককে খুনের চেষ্টা! রায়ে পছন্দ না হওয়ায় বিচারকের দিকে সরাসরি কাটারি ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। সোমবার তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলার শ্রীবিল্লিুপুত্তুর ফ্যামিলি কোর্টে এই নজিরবিহীন ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা পেয়েছেন বিচারক।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম বালামুরুগান। স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদের মামলা চলছিল। ওই দিন ফ্যামিলি কোর্টের স্থায়ী বিচারক না থাকায় মামলার শুনানি করছিলেন পিওসিআর আদালতের বিচারক সুধাকর। তিনি রায় ঘোষণা করতেই মেজাজ হারান বালামুরুগান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিজের সঙ্গে আনা একটি কাটারি তিনি বিচারকের আসন লক্ষ্য করে ছুড়ে মারেন।

অস্ত্রটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় বিচারক সুধাকর অক্ষত আছেন। তবে এই ঘটনায় আদালত চত্বরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ তড়িঘড়ি এসে অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন। আদালত কক্ষের নিরাপত্তা এড়িয়ে কীভাবে তিনি অস্ত্র নিয়ে ঢুকলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।