বিদ্যুতের বিল চড়চড়িয়ে বাড়ছে? ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটেও নাজেহাল? তাহলে হাইব্রিড সোলার সিস্টেম আপনার জন্য একটি উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে।
2
8
এতে অন-গ্রিড এবং অফ-গ্রিড, দুই ধরনের সোলার সিস্টেমের সুবিধাই পাওয়া যায়। তাই আপনি যদি সোলার এনার্জি সিস্টেম বসানোর পরিকল্পনা করছেন, তাহলে এই বিকল্প সম্পর্কে অবশ্যই জেনে রাখা উচিত।
3
8
আজ আমরা জানাব হাইব্রিড সোলার সিস্টেম কী এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে।
4
8
হাইব্রিড সোলার সিস্টেম মানেই পাওয়ার ব্যাকআপ: বিদ্যুৎ চলে গেলে এই সিস্টেম ব্যাকআপের কাজ করে। এতে থাকা ব্যাটারিগুলির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়। ফলে এই সিস্টেম ২৪ ঘণ্টাই কাজ করে। ফলে কোনও সময়েই বিদ্যুৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকে না।
5
8
বিদ্যুতের বিল সাশ্রয়: এই সিস্টেম উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে পাঠাতে পারে। এর বিনিময়ে আপনি গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার সুবিধা পান। ফলে প্রতি মাসে বিদ্যুতের জন্য হাজার হাজার টাকা খরচের প্রয়োজন পড়ে না।
6
8
পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস: হাইব্রিড সোলার সিস্টেমে সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, ফলে পরিবেশের উপর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না।
7
8
তবে এই সিস্টেমের বেশ কয়েকটি নেতিবাচক দিকও রয়েছে। যেমন- খরচ বেশি: হাইব্রিড সোলার সিস্টেম বসানোর খরচ অন্যান্য সিস্টেমের তুলনায় বেশি। বিশেষ করে অন-গ্রিড সোলার সিস্টেমের তুলনায় এটি অনেকটাই ব্যয়বহুল। প্রাথমিক খরচ বেশি হওয়ায় বিনিয়োগের অর্থ ফেরৎ পেতেও বেশি সময় লাগে।
8
8
ব্যাটারি বদলানোর ঝামেলা:সোলার প্যানেল সাধারণত ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত ভালভাবে কাজ করে। কিন্তু ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘ নয়। ফলে সাধারণত পাঁচ থেকে সাত বছর অন্তর ব্যাটারি বদলাতে হয়। ফলে খরচ বেড়ে যায়।