রাজ্যের যে সকল স্কুলগুলিতে ছাত্রসংখ্যা শূন্য সেগুলিকে কাজে লাগানোর জন্য চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দপ্তর।
2
10
রাজ্যের যে সকল স্কুলে পড়ুয়া নেই কিন্তু শিক্ষক রয়েছেন, সেই সকলগুলিকে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে পরিচালনার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন।
3
10
তিনি জানিয়েছেন, পিপিপি মডেলে এখনও একটিও স্কুল চয়ন করা হয়নি। বা এই পদ্ধতিতে কোনও স্কুল চালানো হবে কি না এমন সিদ্ধান্তও হয়নি।
4
10
মন্ত্রীর দাবি, প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথমিক বা মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলিয়ে রাজ্যের প্রায় ৯৩৩টি বিদ্যালয় গত ২০ বছরে বিভিন্ন সময় কাজ করা বন্ধ করেছে। তার অন্যতম কারণ পড়ুয়াশূন্য হয়ে পড়া।
5
10
বিগত ২০ বছর থেকে সর্বশেষ ৫ বছরে কোনও পড়ুয়া ভর্তি হয়নি, এমন স্কুলের সংখ্যা অনেক। এই সব স্কুলের সম্পত্তি পড়ে থেকে থেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের স্কুলভবন, জমি, মাঠের পরিমাণ কোথায় কত, তা খতিয়ে দেখতেই একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে।
6
10
দীপক জানিয়েছেন, আন্তঃবিভাগ হস্তান্তর করা যায় কি না, তা নিয়ে প্রাথমিক চিন্তাভাবনা রয়েছে। বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের হাতে এই সব সম্পত্তি রয়েছে।
7
10
তিনি বলেন, “আমরা হয়তো সরকারকে দিয়ে দেব। সরকার যে রকম ভাববে, সে রকমই সিদ্ধান্ত হবে। সে সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রত্যেকটি স্কুল পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকবে, এমনই ব্যবস্থা করা হবে। প্রক্রিয়া চলছে।”
8
10
শিক্ষক সঙ্কটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি স্কুল পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকবে, এমনই ব্যবস্থা করা হবে। তার প্রক্রিয়া চলছে।এসএসসি নির্দিষ্ট সময় চেয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কাছে, আশা করি তার মধ্যেই তারা নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে।”
9
10
যে সকল স্কুলে পড়ুয়া কম সেগুলি কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পড়ুয়া সংখ্যা কম হলেই স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে এমন নয়। যে সব এলাকায় জনবসতি কম সেখানে এই নিয়ম কার্যকর হতে পারে না।”
10
10
তাঁর সংযোজন, “ছাত্র সংখ্যা কম হলেও যদি দেখা যায়, সেই এলাকায় আর কোনও স্কুল নেই, তা হলে তা বন্ধ হবে কেন? কিন্তু যদি দেখা যায়, পাশাপাশি একাধিক স্কুল রয়েছে এবং একটি বা দু’টি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বেশি, বাকিগুলিতে নেই। তা হলেই চিন্তাভাবনা করবে সরকার।”