জানেন কি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের ওপর নির্ভর করেই বেসিক পে বৃদ্ধি পায়। সপ্তম পে কমিশনের মূল ভিত্তি হল ২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর।
5
14
অর্থাৎ আগের ষষ্ঠ পে কমিশনের তুলনায় সরকারি কর্মীদের মূল বেতন গড়ে ২.৫৭ গুণ বৃদ্ধি পায়। যা কার্যকর হলে দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ সব কর্মীদের ও পেনশনভোগীদের।
6
14
সাধারণত ১০ বছর অন্তর কেন্দ্র ও রাজ্য পে কমিশন গঠন করে। রাজ্যে ষষ্ঠ পে কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
7
14
নিয়ম অনুযায়ী, পয়লা জানুয়ারি থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড়সড় আপডেট দিতে পারে সরকার।
8
14
সপ্তম পে কমিশন চালু হলে নূন্যতম বেতন কত হতে পারে? এই পে কমিশনের অধীনে ষষ্ঠ পে কমিশনের বেসিক বেতনের তুলনায় আড়াই গুণ বাড়তে পারে বেসিক পে।
9
14
ধরা যাক, বর্তমানে একজন রাজ্য সরকারি কর্মীর বেসিক পে যদি ২০ হাজার টাকা হয়, তাহলে ২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর যোগ করে বেসিক পে হবে ৫১ হাজার ৪০০ টাকা।
10
14
আর যদি ষষ্ঠ পে কমিশনে রাজ্যের হারে ডিএ পান ১৪ শতাংশ, তাহলে সপ্তম পে কমিশন চালু হলে কেন্দ্রীয় হারে বর্তমানে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি হবে।
11
14
সপ্তম পে কমিশনে ১৮টি স্তর রয়েছে। ১ থেকে ৫ স্তরের মধ্যে রয়েছেন করণিক এবং গ্রুপ ডি পদের কর্মীরা। এই
কর্মীদের বেসিক বেতন হতে পারে ১৮ হাজার থেকে ৯২ হাজার ৩০০ টাকা।
12
14
৬ থেকে ৯ স্তরের মধ্যে রয়েছেন জুনিয়র আধিকারিক, ইনস্পেক্টর এবং সুপারভাইজাররা। এই কর্মীদের বেসিক বেতন হতে পারে ৩৫ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৮০০ টাকা।
13
14
১০ থেকে ১২ স্তরের মধ্যে রয়েছেন গ্রুপ এ-র আধিকারিক এবং নীতিনির্ধারকরা। তাঁদের বেসিক বেতন হতে পারে ৫৬ হাজার ১০০ টাকা থেকে ২ লক্ষ ৯ হাজার ২০০ টাকা।
14
14
১৩ থেকে ১৮ স্তরের মধ্যে রয়েছেন প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ আধিকারকরা। তাঁদের বেতন হতে পারে ১ লক্ষ ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।