২৯ জুলাই বছরের সবচেয়ে সৌভাগ্যশালী রাত! বিরল যোগে কাটবে জীবনের সব বাধা, পূর্ণিমায় খুলবে সৌভাগ্যের দরজা
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৯ জুলাই ২০২৬ ১৮ : ২৯
শেয়ার করুন
1
12
২৯ জুলাই রাতটি জ্যোতিষপ্রেমীদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই দিন একসঙ্গে ঘটছে দুটি বিশেষ জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ও জ্যোতিষীয় ঘটনা বাক ফুল মুন (Buck Full Moon) এবং জুপিটার গাজিমি (Jupiter Cazimi)।
2
12
জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়, এই বিরল সংযোগ জীবনে নতুন সুযোগ, ইতিবাচক পরিবর্তন এবং সৌভাগ্যের ইঙ্গিত দিতে পারে।
3
12
কী এই বাক ফুল মুন? 'বাক ফুল মুন' হল জুলাই মাসের পূর্ণিমার প্রচলিত নাম। উত্তর আমেরিকার আদিবাসীরা এই নাম দিয়েছিলেন। বছরের এই সময় পুরুষ হরিণের (Buck) নতুন শিং গজাতে শুরু করে। তাই এই পূর্ণিমাকে নতুন শক্তি, বিকাশ এবং জীবনের নতুন অধ্যায়ের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।
4
12
অনেকেই মনে করেন, এই পূর্ণিমা পুরনো দুঃখ, হতাশা, ভয় এবং নেতিবাচক চিন্তা দূরে সরিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বার্তা দেয়।
5
12
এবারের বাক ফুল মুন একটি সুপারমুন। অর্থাৎ চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক অনেক কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে। ফলে আকাশে চাঁদকে সাধারণ পূর্ণিমার তুলনায় কিছুটা বড় এবং বেশি উজ্জ্বল দেখাবে।
6
12
জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, সুপারমুনের সময় মানুষের আবেগ, অনুভূতি এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার উপর প্রভাব কিছুটা বেশি অনুভূত হতে পারে। তাই অনেকেই এই সময় ধ্যান, প্রার্থনা বা নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করেন।
7
12
জুপিটার গাজিমি কী? 'গাজিমি' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে। এর অর্থ সূর্যের হৃদয়ে অবস্থান। জ্যোতিষশাস্ত্রে যখন কোনও গ্রহ সূর্যের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে, তখন তাকে গাজিমি বলা হয়।
8
12
২৯ জুলাই বৃহস্পতি (জুপিটার) সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকবে। বৃহস্পতিকে জ্ঞান, সৌভাগ্য, অর্থ, শিক্ষা, উন্নতি এবং আশাবাদের গ্রহ হিসেবে ধরা হয়। তাই এই সময়কে অনেক জ্যোতিষী শুভ মনে করেন।
9
12
অনেক জ্যোতিষবিদের মতে, বাক ফুল মুন এবং জুপিটার গাজিমি একই দিনে হওয়ায় ইতিবাচক শক্তি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই কেউ কেউ এই দিনটিকে বছরের অন্যতম সৌভাগ্যশালী সময় বলছেন।
10
12
তাঁদের মতে, এই সময় নতুন কাজ শুরু করা শুভ হতে পারে, দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ঠিক করার জন্য ভাল সময়, আত্মবিশ্বাস বাড়তে পারে, নতুন সুযোগ আসার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পথে এগোনোর মানসিক শক্তি মিলতে পারে।
11
12
অনেক আধ্যাত্মিক চর্চাকারী মনে করেন, পূর্ণিমার রাতে কিছু সময় খোলা আকাশের নিচে চাঁদের আলোয় থাকলে মন শান্ত হয় এবং ইতিবাচক চিন্তা বাড়ে। কেউ ধ্যান করেন, কেউ নিজের ভবিষ্যতের পরিকল্পনা লেখেন, আবার কেউ শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন।
12
12
মনে রাখবেন, জ্যোতিষশাস্ত্রের এই ধরনের ব্যাখ্যা সম্পূর্ণ বিশ্বাসভিত্তিক। অনেকের কাছে এই ধরনের বিশেষ পূর্ণিমা নতুন আশা, ইতিবাচক চিন্তা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।