গঞ্জন ছিল বহু আগে থেকেই, কিন্তু সম্পর্ক নিয়ে বরাবর মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বিজয় দেবেরাকোন্ডা আর রশ্মিকা মান্দানা৷ অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটল ২৬ ফেব্রুয়ারি। উদয়পুরে বিজয়-রশ্মিকার রাজকীয় বিয়ের সাক্ষী থাকল সকলে৷
2
19
২০১৮ সালে গীত-গোবিন্দম্ এর শ্যুটিং চলাকালীন দু'জনের দেখা হয়৷ প্রথম কাজেই বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্য পায় বিজয়-রশ্মিকার ছবি৷
3
19
এই ছবির শেষদিকেও বিজয়-রশ্মিকাকে বিয়ের দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু গীত-গোবিন্দম্ ছবিতে শুটিংয়ের সময় বিজয় দেবেরাকোন্ডা এক অনভিপ্রেত ঘটনার সম্মুখীন হন৷
4
19
সিনেমার প্রচার চলাকালীন বিজয় দেবেরাকোন্ডা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এই অভিজ্ঞতার কথা জানান৷ তিনি বলেন, ছবির শুটিংয়ে বিয়ের মন্ডপে বসে আছি৷ একটা শট ছিল, যখন মঙ্গলসূত্র পরাতে হবে
5
19
বিজয় দেবেরাকোন্ডার পাশে কনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বসে আছেন রশ্মিকা মান্দানা৷ রশ্মিকার পরনে সিল্কের শাড়ি৷ বিজয় পরেছিলেন ধুতি৷
6
19
মঙ্গলসূত্র পরানোর দৃশ্যটি ছবিতে অভিনয় করার জন্যই পরাতে হবে৷ এটা বুঝতে পারলেও বিজয় দেবেরাকোন্ডা ভয় পেয়েছিলেন৷
7
19
বিজয় জানান, এই অবস্থায় তিনি এতটাই অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন যে সহ-অভিনেত্রী রশ্মিকাকে বলেন এটা সত্যিই অদ্ভুত৷
8
19
গীত-গোবিন্দম্ এর সেটে বিয়ের দৃশ্যে কনের সাজে অভিনয় করার আগেও রশ্মিকা দু'বার কনে সাজে অভিনয় করেছিলেন৷ তাই রশ্মিকা সাবলীল ছিলেন।
9
19
'গীত-গোবিন্দম্'- এ কাজ করার পর থেকেই বিজয়-রশ্মিকার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে৷ যদিও তাঁরা কেউই সম্পর্কের বিষয় প্রকাশ্যে কখনও কিছু বলেননি৷ এত বছর প্রেম গোপন রাখার পর বিয়ের একদিন আগে বিজয়-রশ্মিকার তাঁদের সম্পর্কে শিলমোহর দেন৷
10
19
বিয়ের পর বিজয় সমাজমাধ্যমে তাঁদের বিয়ের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিয়েছেন৷ সেইসঙ্গে রশ্মিকার জন্য লিখেছেন আবেগঘন আদুরে প্রেমকথা৷
11
19
বিজয় লিখেছেন, একদিন আমি ওকে মিস্ করছিলাম৷ আমার মনে হল ও আমার আশেপাশে থাকলে আমার দিনটা ভাল হত৷ আমার খাবারটাও খেতে আরও ভাল লাগত যদি ও আমার পাশে বসে থাকত৷"
12
19
বিজয় আরও লিখেছেন, তাঁর শরীরচর্চার পরিশ্রম লাঘব হয়ে যেত যদি রশ্মিকা থাকতেন বিজয়ের সঙ্গে। বিজয় লিখেছেন, তাঁর মনে হয়েছিল রশ্মিকা তাঁর কাছে ঘর।
13
19
বিজয় আরও লিখেছেন, তাঁর শরীরচর্চার পরিশ্রম লাঘব হয়ে যেত যদি রশ্মিকা থাকতেন বিজয়ের সঙ্গে। বিজয় লিখেছেন, তাঁর মনে হয়েছিল রশ্মিকা তাঁর কাছে ঘর।
14
19
জীবনে যেমন একটা ঘর আর শান্তির একান্ত প্রয়োজন, তেমনভাবেই রশ্মিকাকেও প্রয়োজন৷ বিজয় তাঁর প্রেমের ইস্তেহার শেষ করেছেন এই লিখে, আমি আমার প্রিয় বন্ধুকে আমার স্ত্রী রূপে গ্রহণ করলাম৷
15
19
রশ্মিকাও সমাজমাধ্যমে বিয়ের ছবি ভাগ করে ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন বিজয়কে৷ শুরুতেই লিখেছেন, "আমার স্বামী, বিজয় দেবেরাকোন্ডা। "
16
19
র সঙ্গে রশ্মিকা লিখেছেন, বিজয়ই সেই মানুষ যে আমাকে সত্যি ভালবাসার অনুভূতি কেমন হয় তা শিখিয়েছে৷ বিজয়ই সেই মানুষ যে আমাকে জীবনে প্রকৃত শান্তির অনুভব দিয়েছে৷
17
19
রশ্মিকা আরও লিখেছেন, বিজয়ই সেই মানুষ যে তাঁকে বুঝিয়েছে, স্বপ্ন দেখা অপরাধ নয়৷ পেশাগত দিকে আরও ভাল কাজের খিদে থাকাও অপরাধ নয়৷ এবং বিজয় রশ্মিকাকে আরও এগিয়ে যেতে সর্বদা অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকেন৷
18
19
রশ্মিকা লিখেছেন, তাঁর আত্নবিশ্বাস গড়ে তুলতে বিজয় বলেন, রশ্মিকার ভাবনার থেকেও আরও অনেক বেশি কিছু করার ক্ষমতা আছে রশ্মিকার মধ্যে৷
19
19
বিজয়-রশ্মিকার গোপন প্রেমের ভিত যে বন্ধুত্ব এবং একে অন্যের প্রতি অগাধ আস্থায় মজবুত তা তাদের বিয়ের ছবি থেকে লেখা সর্বত্রই স্পষ্ট। বিধাতাও হয়তো তাই অভিনয়ের মাধ্যমে মঙ্গলসূত্র পরানোর মাধ্যমে মিলিয়ে দিয়েছিলেন দুই মন দুই জীবন।