এতদিন সাধারণ মানুষের কাছে ইউপিআই পরিষেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেওয়া হতো। তবে সম্প্রতি সেই নিয়মে বদল এসেছে। মার্চেন্ট পেমেন্টে গুনতে হবে মাশুল, জানিয়েছে এনপিসিআই।
2
6
ব্যবসায়ীদের কাছে এখনও পুরোপুরিভাবে সেই বিষয়টি পরিষ্কার না হলেও ব্যবসায় ক্ষতি হবে মনে করছেন বহু ছোট-বড় বিক্রেতা। কোনও লেনদেন যদি ২০০০ টাকার বেশি হয় এবং তা কোনও বাণিজ্যিক সংস্থার সঙ্গে হয় তাহলে একটা কর বসছে। যদি ব্যক্তিগত কোনও লেনদেন করা হয় সেক্ষেত্রে কোনও কর নেই। মূলত এমডিআর দেওয়ার দায়িত্ব বিক্রয়কারী সংস্থার।
3
6
১৫ অক্টোবর থেকে নয়া নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। যেখানে মার্চেন্ট পেমেন্টে ০.৪ শতাংশ এমডিআর বা মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট চাপানোর কথা জানিয়েছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া।
4
6
বহু ব্যবসায়ী মনে করছেন, এই এমডিআর চার্জের কারণে খুব একটা বেশি ক্ষতি হবে না। তবে আবার অনেক ব্যবসায়ী যদিও পুরোনো নিয়ম যেন থাকে সেই কথাও বলছেন। আবার অনেক ব্যবসায়ী বলছেন, সবথেকে ভালো ছিল নগদে লেনদেন। এত সমস্যাই ছিল না।
5
6
বিশেষজ্ঞদের মতে, যে বিক্রয়কারী সংস্থা এই করটা দিচ্ছে, তারা হয়তো বাড়তি করের বোঝাটা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেবে। কীভাবে চাপাবে? জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে চাপাবে। যদিও প্রতিযোগিতার বাজারে টাকা বাড়লে ক্রেতা হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। আবার পুরোপুরি নগদে লেনদেনও সম্ভব নয়। কারণ আজকের দিনে সকলেই ইউপিআই ব্যবহার করে।
6
6
একটা কর বসালে তা কীভাবে ফাঁকি দেওয়া যায়, সেগুলো চলে আসে। সেক্ষেত্রে ২০০০-এর বেশি টাকার বিল হলে ভেঙে ভেঙে বিল করার প্রবণতাও দেখা যেতেই পারে। আবার সরকারের দাবি, নানা রকমের পদক্ষেপ করা হচ্ছে, যাতে এই চার্জের বোঝা ঘুরপথে ক্রেতাদের ঘাড়ে এসে না পড়ে।