শেয়ারবাজার বর্তমানে সর্বোচ্চ স্তরের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে অস্থিরতা বাড়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।
2
11
তাই তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিতে দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ গড়তে অনেক আর্থিক উপদেষ্টা এখন লার্জ ক্যাপ মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন।
3
11
লার্জ ক্যাপ ফান্ড মূলত দেশের বৃহৎ ও প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগ করে। এই সংস্থাগুলির ব্যবসা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হওয়ায় বাজারে ওঠানামার সময়ও এই ধরনের ফান্ডে ঝুঁকি অন্যান্য ইক্যুইটি ক্যাটাগরির তুলনায় কিছুটা কম থাকে। দীর্ঘমেয়াদে স্থির রিটার্নের লক্ষ্য থাকলে এই ক্যাটাগরি অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে আকর্ষণীয় হতে পারে।
4
11
২০২৬ সালের জুলাই মাসে নজরে রাখার মতো পাঁচটি লার্জ ক্যাপ মিউচুয়াল ফান্ডের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এগুলি হল।
5
11
অ্যাক্সিস লার্জ ক্যাপ ফান্ড: এই ফান্ড দীর্ঘদিন ধরে বড় ও মানসম্পন্ন সংস্থায় বিনিয়োগের জন্য পরিচিত। যাঁরা দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রিটার্নের লক্ষ্য রাখছেন, তাঁদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় বিকল্প।
6
11
ক্যানারা রোবেকো লার্জ ক্যাপ ফান্ড: নিয়ন্ত্রিত ঝুঁকি এবং বড় কোম্পানিতে বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগের কারণে এই স্কিমটি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বেশ পরিচিত। দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে এটি অন্যতম আলোচিত ফান্ড।
7
11
মিরায় অ্যাসেট লার্জ ক্যাপ ফান্ড: শক্তিশালী পোর্টফোলিও এবং মানসম্পন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের কৌশলের জন্য এই ফান্ড দীর্ঘদিন ধরেই বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এটি ভালো সম্ভাবনা রাখতে পারে।
8
11
বরোদা বিএনপি পারিবাস লার্জ ক্যাপ ফান্ড: দেশের শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হয় এই স্কিম। স্থিতিশীল বিনিয়োগ খুঁজছেন এমনদের জন্য এটি একটি বিবেচ্য বিকল্প।
9
11
এডেলওয়েইস লার্জ ক্যাপ ফান্ড: বাজারের বড় কোম্পানিগুলিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্য রাখে এই ফান্ড। নিয়মিত এসআইপি-র মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা এই স্কিমটি বিবেচনা করতে পারেন।
10
11
তবে মনে রাখা জরুরি, শুধুমাত্র অতীতের পারফরম্যান্স দেখে কোনও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা উচিত নয়। প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর আর্থিক লক্ষ্য, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা এবং বিনিয়োগের সময়সীমা আলাদা।
11
11
তাই বিনিয়োগের আগে ফান্ডের বিনিয়োগ কৌশল, পোর্টফোলিও, ব্যয় অনুপাত এবং নিজের আর্থিক পরিকল্পনা ভালোভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে কোনও নিবন্ধিত আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।