আজকাল ওয়েবডেস্কঃ সময়ের সঙ্গে বাড়ছে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা। বিশ্বজুড়ে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ক্রমশ উর্ধ্বমুখী। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, অনিয়মিত জীবনধারা, শরীরচর্চা অভাব সহ বিভিন্ন কারণে অল্প বয়সিদের মধ্যেও বাসা বাঁধছে বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগ। মারণ রোগ ঠেকাতে খাদ্যাভাসে বদল আনা জরুরি। বিশেষ করে রোজের খাদ্যতালিকায় কয়েকটি খাবার রাখলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা এড়াতে পারবেন।
2
8
মরশুমি শাকসবজি-একাধিক পুষ্টিগুণে ভরপুর মরশুমি শাকসবজি। সব শাকেই অ্যান্টিঅক্সিজেন্ট থাকে যা প্রদাহ কমায়। সঙ্গে উদ্ভিজ্জ খাবারের ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের সমস্যা কমে।
3
8
গোটা দানাশস্য-হার্টের বন্ধু হল গোটা দানা শস্য। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই হোল গ্রেইন জাতীয় খাবার নিয়মিত খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। তাই আটা, ওটস, বার্লি এবং ব্রাউন রাইসের মতো গোটা দানা শস্য নিয়মিত পাতে রাখুন।
4
8
বাদাম- কাঠবাদামে থাকা ভিটামিন ই এবং ফাইবার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। বাদামে ফ্যাট থাকা মানেই যে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এ ধারণা ভুল। বরং বাদামে থাকা ফ্যাট আদতে শরীরের জন্য ভাল বলে তা হাই কোলেস্টেরলের মতো সমস্যারও মোকাবিলা করে।
5
8
ব্লুবেরি জাতীয় খাবার- স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি ও ব্লুবেরির মতো ফলে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের খনি। তাই শরীরকে সুস্থ রাখার কাজে এই সব ফলের জুড়ি মেলা ভার।
6
8
ডার্ক চকোলেট-হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখতে ডার্ক চকোলেটের ভূমিকা অপরিসীম। ডার্ক চকোলেটে ফ্ল্যাভোনয়েড নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। যা হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখে। তবে ডার্ক চকোলেটে অতিরিক্ত ক্যালোরিও আছে। তাই প্রতি দিন ডার্ক চকোলেট খাওয়ার অভ্যাস না করাই ভাল।
7
8
মাছের তেল-মাছের তেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মজুত রয়েছে। আর এই ফ্যাটি অ্যাসিড কিন্তু হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করার কাজে সিদ্ধহস্ত। বিশেষত, গভীর সমুদ্রের মাছ, যেমন- টুনা, ম্যাকেরেল, সার্ডিন, স্যালমন খেলে উপকার মিলবে সবথেকে বেশি।
8
8
টমেটো-শরীরের যত্নে টম্যাটো দারুণ উপকারি। এতে থাকা লাইকোপিন হার্ট অ্যাটাক ঠেকিয়ে রাখতে পারে। তাই ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা থাকলে টম্যোটা ভেবেোচিন্তে খান।