আজকাল ওয়েবডেস্কঃ আজকাল কর্মব্যস্ততার জীবন, ভুল খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চায় অনিয়ম সহ একাধিক কারণে অল্প বয়সেই জাঁকিয়ে বসছে জটিল অসুখ। সঙ্গে পেটের রোগ থেকে সর্দি-কাশি, নানান রোগে প্রায়ই ভোগেন অনেকে। আর এই সমস্ত সমস্যায় স্বস্তি দিতে পারে রান্নাঘরের কয়েকটি উপাদান। মশলা থেকে বীজ, হেঁশেলের চেনা পরিচিত উপাদানেই লুকিয়ে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। সুস্থ থাকতে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখবেন কোন কোন খাবার? জেনে নিন-
2
7
হলুদঃ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যযুক্ত হলুদ বেশিরভাগ ভারতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয়। হলুদ শুধু একটি মশলা নয়, এটি প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যযুক্ত ভেষজ। হলুদ ক্ষত নিরাময়ে, জয়েন্টের ব্যথা কমাতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং গলা ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে। হোমিওপ্যাথিতেও, হলুদ থেকে তৈরি কারকুমা লঙ্গা লিভার এবং ত্বকের সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। কাঁচা বা রান্না করা যাই হোক না কেন, বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সমাধানে হলুদের জুড়ি মেলা ভার।
3
7
আদাঃ হজম এবং সর্দি-কাশির জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার হল আদা। আদা হজম ক্ষমতা বাড়ায়, বমি বমি ভাব কমায় এবং সর্দি-কাশির বিরুদ্ধে লড়াই করে। গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তি এবং গলা ব্যথার চিকিৎসাতেও আদা ব্যবহৃত হয়। এক কাপ গরম আদা চা শরীরের একাধিক উপকারে করে। বিশেষ করে শীতকালে এটি বিশেষভাবে কার্যকরী।
4
7
তুলসীঃ ইমিউটিনি বুস্টার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসীর জুড়ি মেলা ভার। তুলসীকে 'ভেষজের রানী' বলা হয়। এটি সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে, শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং স্নায়ুকে শান্ত করে। কয়েকটি তাজা তুলসী পাতা মধু এবং লেবুর সঙ্গে জলে ফুটিয়ে খেলে গলা ব্যথা এবং সাইনাসের সমস্যা কমে। হোমিওপ্যাথিতে এটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ এবং মানসিক চাপ উপশমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
5
7
ধনেপাতাঃ ধনেপাতার বীজ এবং পাতা অনেক রান্নাতেই স্বাদ বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়। এটির স্বাস্থ্যগুণও প্রচুর। হজমে সহায়তা করে, পেট ফাঁপা কমায় এবং রক্তে শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে ধনেপাতা। ধনেপাতার জল অ্যাসিডিটি, গ্যাস এবং অন্যান্য হজমের অস্বস্তির জন্য একটি সাধারণ ঘরোয়া প্রতিকার। শরীরকে টক্সিনমুক্ত করতেও সাহায্য করে।
6
7
লবঙ্গঃ ব্যথা ও সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকরী। ভারতীয় রান্নায় বহুল ব্যবহৃত এই মশলা দাঁত ব্যথা কমায়। লবঙ্গর তেল লাগালে মাড়ির ব্যথাতেও আরাম পাওয়া যায়। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এছাড়া পেটের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে এবং এটি স্প্যাসমডিক কাশিতেও উপকারী।
7
7
জিরেঃ লিভারকে ডিটক্সিফাই করে। হজম ক্ষমতা বাড়ায় জিরে, পেটের ক্র্যাম্প কমায় এবং লিভারকে বর্জ্য পদার্থ মুক্ত করতে সাহায্য করে। সকালে প্রথমেই জিরা জল খেলে পেট ফাঁপা এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা উপকার পাওয়া যায়।