দুর্বল সমবায় ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই) কঠোর পদক্ষেপ করছে। আর্থিক দৈনদশার কারণে মহারাষ্ট্রের 'শিরপুর মার্চেন্টস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক'-এর লাইসেন্স বাতিল করল আরবিআই।
2
6
আরবিআই জানিয়েছে যে, 'শিরপুর মার্চেন্টস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক'-এর কাছে পর্যাপ্ত মূলধন এবং আয়ের কোনও সম্ভাবনা নেই। লাইসেন্স বাতিলের পরিপ্রেক্ষিতে, শিরপুর মার্চেন্টস কো-অপারেটিভ ব্যাংক ২০২৬ সালের ৬ এপ্রিল কার্যদিবসের শেষে তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। আরবিআই মহারাষ্ট্রের 'সমবায় কমিশনার' এবং 'সমবায় সমিতিগুলোর নিবন্ধক'-কে ব্যাঙ্ক বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করতে এবং একজন 'লিকুইডেটর' বা অবসায়ক নিয়োগ করতেও নির্দেশ দিয়েছে।
3
6
গ্রাহকদের টাকার কী হবে? যেহেতু ব্যাঙ্কটি বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে, তাই আমানতকারীরা 'আমানত বিমা ও ঋণ নিশ্চয়তা নিগম' -এর মাধ্যমে তাদের আমানতের ওপর সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন।
4
6
আরবিআই-এর তথ্য অনুযায়ী, এই বিমা সুরক্ষার আওতায় প্রায় ৯৯.৭ শতাংশ আমানতকারী তাদের সম্পূর্ণ আমানতের অর্থ ফেরত পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যমতে, আমানতকারীদের সম্মতির ভিত্তিতে DICGC ইতিমধ্যেই বিমাকৃত আমানতের বিপরীতে ৪৮.৯৫ কোটি টাকা বিতরণ করেছে।
5
6
কেন লাইসেন্স বাতিল করা হলো? আরবিআই জানিয়েছে যে, ব্যাঙ্কটির দুর্বল আর্থিক অবস্থানের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা উল্লেখ করেছে যে, ব্যাঙ্কটির কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত মূলধন বা আয়ের কোনও উৎস তাদের নেই।
6
6
ব্যাঙ্কটির বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে, আমানতকারীদের সম্পূর্ণ অর্থ ফেরৎ দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। আরবিআই বলেছে, "ব্যাঙ্কটির কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গ্রাহকদের স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর হবে।" লাইসেন্স বাতিলের পর, ব্যাঙ্কটিকে অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার শর্তে আমানত গ্রহণ বা ফেরৎ দেওয়া-সহ যেকোও ধরনের ব্যাঙ্কিং কার্যক্রম পরিচালনা করা থেকে বিরত রাখা হয়েছে।