২০১৯: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন একটি সোনালি পাড়ের গোলাপি মঙ্গলগিরি সুতির শাড়ি পরেছিলেন, যা অন্ধ্রপ্রদেশের তাঁতশিল্পের ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছিল।
2
7
২০২০: দ্বিতীয় বাজেট পেশের সময়ে নির্মলা সীতারমন নীল পাড়ের হলুদ-সোনালি সিল্কের শাড়ি বেছে নিয়েছিল, কারণ তা আশা, সমৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতীক ছিল বলে মনে করা হয়। নির্মলার বিশ্বাস, সেবার থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার ভারতের আর্থিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার জন্য একাধিক নীতদি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছিল।
3
7
২০২১: অর্থমন্ত্রী তেলেঙ্গানার একটি লাল ও অফ-হোয়াইট পোচাম্পল্লি ইক্কত সিল্কের শাড়ি পরেছিলেন, যা স্থানীয় বয়ন ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি সরকারের "ভোকাল ফর লোকাল" উদ্যোগকে তুলে ধরেছিল।
4
7
২০২২: ওড়িশার মরচে রঙের বোমকাই শাড়িটি গ্রামীণ কারুশিল্পকে প্রদর্শন করার পাশাপাশি পূর্ব ভারতের ঐতিহ্যবাহী তাঁতশিল্প ও ঐতিহ্যকে জাতীয় স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল।
5
7
২০২৩: নির্মলা সীতারমন একটি সিঁদুর লাল বেনারসী সিল্কের শাড়ি পরেছিলেন, শাড়ির পাড়ে কালো ও সোনালি মন্দিরের নকশা ছিল। যা সাহস, প্রতিশ্রুতি এবং ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক।
6
7
২০২৪: অন্তর্বর্তী বাজেটে একটি বেগুনি পাড়ের অফ-হোয়াইট সিল্কের শাড়ি পরেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী, যা কমনীয়তা ও ভারসাম্যের প্রতীক ছিল, অন্যদিকে বাজেট উপস্থাপনায় কাঁথা এমব্রয়ডারি করা একটি নীল হ্যান্ডলুম তসর সিল্কের শাড়ি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
7
7
২০২৫: নির্মলা সীতারামন একটি সোনালি পাড়ের ক্রিম রঙের শাড়ি পরেছিলেন, যাতে বিহারের মধুবনী শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়েছিল, যা বিখ্যাত শিল্পী দুলারি দেবী ভারতীয় লোকশিল্প এবং নারী কারুশিল্পকে তুলে ধরার জন্য উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন।