গার্হস্থ্য হিংসাও এবার আইনের আওতায়। এবার গার্হস্থ্য হিংসাকে আইনত বৈধ বলে ঘোষণা করল তালিবান। আফগান ভূমে গৃহবধূদের এবার থেকে যথেচ্ছভাবে অত্যাচার করা যাবে।
2
10
স্ত্রীকে যত খুশি পেটালেও, একটি ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। স্ত্রীকে পেটালেও, তাঁদের হাড় ভাঙা যাবে না। এটিই নতুন আইনের একটিমাত্র শর্ত।
3
10
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারিতেই ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড ফর কোর্টস চালু করেছে তালিবান। গতকাল বুধবার জানা গেছে, এই আইনে গার্হস্থ্য হিংসাকেও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
4
10
'রাওয়াদারি' নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন তালিবানি ফৌজদারি আইনটি সম্প্রতি ফাঁস করেছে। যেখানে স্ত্রীর ওপর নির্মম নির্যাতন আর গুরুতর অপরাধ নয় বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।
5
10
ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড ফর কোর্টস-এ সাফ জানানো হয়েছে, স্ত্রীকে শাসন করতে পারেন স্বামী। মারধর করার অনুমতিও রয়েছে। সেটি শাস্তির আওতায় পড়বে না। কিন্তু মারধরের জেরে হাড়গোড় যেন না ভাঙে।
6
10
২০০৯ সালে আফগানিস্তানে মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূল আইন চালু হয়েছিল। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হামিদ কারজ়াই এই পদক্ষেপ করেছিলেন।
7
10
চলতি বছরে জানুয়ারি মাসে সেই আইন তুলে দিল তালিবান। তাদের শাসনকালে মহিলাদের ওপর অত্যাচার, গার্হস্থ্য হিংসাও আর অপরাধ নয়।
8
10
নতুন আইন অনুযায়ী, মারধরের জেরে স্ত্রীর হাড় ভাঙলে, রক্তপাত হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। এর জন্য ১৫ দিনের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে। এমনকী আদালতে স্ত্রীকে নির্যাতনের প্রমাণ দিতে হবে।
9
10
তবে মহিলারা একা আদালতে যেতে পারবেন না। আফগানিস্তানে মহিলাদের একা বাইরে বেরোনোর অনুমতি নেই। স্বামীকে নিয়েই আদালতে গিয়ে নির্যাতন প্রমাণ করতে হবে।
10
10
নতুন আইন অনুযায়ী, বিবাহিত মহিলারা যদি স্বামীর অনুমতি ছাড়া বাপের বাড়ি, আত্মীয়দের কাছে যান, সেক্ষেত্রে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।