আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতার যে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে মাঝেমধ্যেই বিতর্কের ঝড় ওঠে, এবার সেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরাই ঠাঁই পেয়েছেন বিশ্ব তালিকায়। প্রতিষ্ঠান হিসাবেও জায়গা দখল করে নিয়েছে শীর্ষ তালিকায়। বিশ্বের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় স্ট্যানফোর্ড ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকাশনা সংস্থা 'এলসেভিয়ার' চলতি বছরের ‘ওয়ার্ল্ডস টপ ২% সায়েন্টিস্টস’-এর তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেখান থেকেই প্রকাশ্যে এসেছে এই তথ্য।
2
7
বিশ্বে সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর এই তালিকার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের নিরিখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে অষ্টম স্থানে। প্রতিষ্ঠানের ৪৮ জন বিজ্ঞান গবেষক রয়েছেন প্রকাশিত তালিকায়।
3
7
এ ছাড়াও, রাজ্যের আইআইটি খড়গপুর ৩-য় স্থানে, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইএসআই) কলকাতা ২০তম স্থানে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ৪৫ তম স্থানে জায়গা দখল করে নিয়েছে।
4
7
জানা গিয়েছে, বিশ্ব তালিকায় ভারতের স্থান উল্লেখযোগ্য। কেরিয়ারভিত্তিক তালিকায় ভারতের ১,১৮৫টি প্রতিষ্ঠানের মোট ৩,৮৯৮ জন গবেষক জায়গা করে নিয়েছেন। তবে এই পরিসংখ্যানটি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট গবেষকের ব্যক্তিগত গবেষণার সুদূরপ্রসারী প্রভাবের উপর নির্দিষ্ট। অর্থাৎ এর মাধ্যমে সরাসরি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক গবেষণার দক্ষতার পরিমাপ করা সম্ভব নয়।
5
7
কেরিয়ার ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী, IISc-র মোট ১৩৯ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন স্ট্যানফোর্ডের এই র্যাঙ্কিংয়ে। এর পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইআইটি দিল্লি (১১৪ জন গবেষক)। তালিকায় ভারতের অন্যান্য শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে আইআইটি খড়গপুর (৯৭ জন), আইআইটি মাদ্রাজ (৮১ জন) এবং আইআইটি বোম্বে (৭৩ জন) রয়েছে। তালিকায় আইআইটি রুরকি (৬২ জন) এবং আইআইটি কানপুরের (৫৫ জন) বেশ কয়েকজন গবেষক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
6
7
এ ছাড়া, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (BHU) ৪৪ জন বিজ্ঞানী, ভাবা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টারের ৪০ জন, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন, আইআইটি গুয়াহাটির ৩৭ জন, আইএসআই কলকাতার ২৪ জন, জেএনইউ-এর ১৮ জন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন তালিকায় স্থান অর্জন করেছেন। রয়েছে কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকের নামও।
7
7
উল্লেখ্য, প্রতি বছরই স্ট্যানফোর্ড-এলসেভিয়ার দু'টি ভিন্ন তালিকা প্রকাশ করে—একটি কেরিয়ারভিত্তিক প্রভাবের জন্য এবং অন্যটি এক বছরে কাজের উপর ভিত্তি করে। দু'টি তালিকা গবেষণার ভিন্ন দিক তুলে ধরে। তালিকা তৈরির জন্য সাইটেশন সংখ্যা-সহ একাধিক বিষয় বিশ্লেষণ করে মোট ২২টি মূল বিজ্ঞানের ক্ষেত্র এবং ১৭৪টি উপক্ষেত্রে গবেষকদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।