প্রকৃতিতে এমন কিছু সাপ আছে, যা গাছ লতা-পাতার আড়ালে থাকলে গাছের পাতার রঙের সঙ্গে মিশে থাকে। বুঝে ওঠা ঝক্কির হয়৷ ফলে অজান্তেই প্রাণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সেই সব সাপের বিবরণ শুনে বিশেষজ্ঞ মহল এগুলিকে আলাদা আলাদা প্রজাতিতে ভাগ করেছে।
2
9
২০২৫ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৮৯ প্রজাতির সাপের অস্তিত্ব মিলেছে। এর মধ্যে ২৭টি বিষধর ও ৬২টি নির্বিষ। তথ্যাভাব ও বিলুপ্তির কারণে ১৯টি প্রজাতিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
3
9
তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে প্রায় সাত লাখ মানুষ সাপের কামড় খান, প্রাণ হারান ছয় হাজারের বেশি।
4
9
এদিকে, সব এলাকায় সব বিষধর সাপের দাপট এক নয়। বিশেষজ্ঞ মহল এটিকে কয়েক শ্রেণীতে ভাগ করেছে।
5
9
কালাচ ও গোখরা: পাতি কালাচ, পদ্ম গোখরা ও খৈয়া গোখরা দেশজুড়ে সমতল ও গ্রামীণ এলাকায় বেশি দেখা যায়। তবে সিলেট ও চট্টগ্রামে কালাচের প্রভাব কিছুটা কম।
6
9
রাসেলস ভাইপার ও পিট ভাইপার: রাসেলস ভাইপার মূলত রাজশাহীসহ দেশের মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলের খেতখামার ও নদীর পাড়ে সীমাবদ্ধ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইব্রাহিম খলিল আল হায়দারের পরামর্শ, সাপে কাটার সন্দেহ হলেই দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
9
9
সব সাপের কামড়ে তৎক্ষণাৎ তীব্র ব্যথা হয় না। যেমন কেউটের কামড় মশার কামড়ের মতো মনে হতে পারে, কিন্তু ভাইপারের কামড়ে দ্রুত ফোলা ও ব্যথা শুরু হয়। ফলত এলাকাভিত্তিক বিষধর সাপ চিনে সতর্ক থাকাই প্রাণ বাঁচানোর সেরা উপায়।