স্মার্ট মিটারের যুগ এসে গিয়েছে, এবং বিদ্যুৎ বিভাগ দ্রুতগতিতে প্রতিটি বাড়িতে এটি পৌঁছে দিচ্ছে। ডিজিটাল মিটারের সবচেয়ে বড় সুবিধা আপনি আপনার খরচের হিসেব রাখতে পারবেন।
2
13
অনেক রাজ্যে, বিদ্যুৎ সংস্থাগুলি তাদের নীতির উপর ভিত্তি করে প্রিপেইড মিটারকে পোস্টপেইডে রূপান্তর করছে। তাই, প্রথমে আপনার সংযোগের ধরন সম্পর্কে যে কোনও বিভ্রান্তি দূর করুন।
3
13
রাজ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় পুরোদমে চালু হয়ে গিয়েছে স্মার্ট মিটার। সরকারি অ্যাপ ব্যবহার করে রিচার্জ করে বিদ্যুৎ আসছে বাড়িতে।
4
13
এর মধ্যেই নদিয়া জেলার শান্তিপুরে স্মার্ট মিটারকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে নতুন এক সমস্যা। স্মার্ট মিটার চালুকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
5
13
সম্প্রতি বহু গ্রাহকের মোবাইলে হঠাৎ বিপুল অঙ্কের মাইনাস ব্যালেন্স বা বকেয়া টাকার বার্তা পৌঁছেছে। সেটাও নেহাত কম অঙ্কের টাকা নয়। শুনলে চমকে যাওয়ার মতো।
6
13
কারও ক্ষেত্রে ৭২ হাজার টাকা, কারও ১৪ হাজার টাকা, আবার কারও ১,০৪৫ টাকা পর্যন্ত বকেয়া দেখানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের দাবি, মে, জুন ও জুলাই মাসের বিল তাঁরা দিয়ে দিয়েছেন।
7
13
এর আগে পোস্টপেইড বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত পরিশোধ করলেও এই অস্বাভাবিক বার্তায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এত টাকা পকেট থেকে দেবেনই বা কী করে।
8
13
শুক্রবার শান্তিপুর বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি’ ও সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি’র নেতৃত্বে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা শান্তিপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান।
9
13
কর্তৃপক্ষের হাতে ডেপুটেশন জমা দেন তাঁরা। সমিতির প্রতিনিধি সুজিতবাবু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই একের পর এক অভিযোগ তাঁদের কাছে জমা পড়তে শুরু করেছে।
10
13
পরে বিদ্যুৎ দপ্তরে যোগাযোগ করে জানা যায়, অন্তত ৬০ থেকে ৬৫ জন গ্রাহক একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন। ভুক্তভোগী হাকিম আলি শেখ ও বাসুদেব হালদারের অভিযোগ, পোস্টপেইড থেকে প্রিপেইড ব্যবস্থায় রূপান্তরের সময় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই এই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
11
13
বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকরা মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছেন, আগামী বিল তৈরির সময় সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তবে লিখিত নিশ্চয়তা না পাওয়ায় গ্রাহকদের উদ্বেগ এখনও কাটেনি।
12
13
গ্রাহক সমিতির অভিযোগ, শুরুতে স্মার্ট মিটারকে আধুনিক ডিজিটাল মিটার হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও বর্তমানে তা ধাপে ধাপে প্রিপেইড ব্যবস্থায় রূপান্তর করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, এই ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের জন্য জটিল এবং বিভ্রান্তিকর।
13
13
অবিলম্বে স্মার্ট প্রিপেইড ব্যবস্থা বাতিল করে আগের পোস্টপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবস্থা পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। একই সঙ্গে প্রযুক্তিগত ত্রুটি দ্রুত সংশোধন করে গ্রাহকদের লিখিতভাবে আশ্বস্ত করার দাবিও তুলেছেন তাঁরা।