দেশে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সি নাগরিকদের জন্য সিনিয়র সিটিজেন কার্ড বা শংসাপত্র গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে কাজে আসতে পারে।
2
11
বয়স ও পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে এই কার্ড বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প, পেনশন, চিকিৎসা পরিষেবা এবং যাতায়াতে ছাড়ের মতো সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে।
3
11
তবে এই কার্ডের নিয়ম, আবেদন পদ্ধতি এবং সুবিধা সব রাজ্যে এক নয়। সাধারণত রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে এই কার্ড বা শংসাপত্র দেওয়া হয়।
4
11
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে আনুমানিক ১৫.৪ কোটি প্রবীণ নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩ কোটি মানুষের হাতে সিনিয়র সিটিজেন কার্ড রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
5
11
সাধারণভাবে ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সি ভারতীয় নাগরিকরা প্রবীণ নাগরিক হিসেবে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। চাকরি করেন কি না, বেতনভোগী নাকি স্বনিযুক্ত—শুধুমাত্র এই কারণে ৬০ বছরের বেশি বয়সি কেউ সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে অযোগ্য হন না। তবে নির্দিষ্ট রাজ্য বা প্রকল্পের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শর্ত থাকতে পারে।
6
11
সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য কিছু রাজ্যে সরকারি পরিবহণে ভাড়ায় ছাড় বা বিশেষ সুবিধা থাকতে পারে। সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও নির্দিষ্ট কিছু পরিষেবায় অগ্রাধিকার বা সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
7
11
এছাড়াও যোগ্যতা পূরণ করলে প্রবীণ নাগরিকরা SCSS-এ বিনিয়োগ করতে পারেন। বিভিন্ন ব্যাঙ্কও সিনিয়র সিটিজেনদের FD বা RD-তে সাধারণ গ্রাহকদের তুলনায় অতিরিক্ত সুদ দিতে পারে।
8
11
তবে শুধু সিনিয়র সিটিজেন কার্ড থাকলেই আয়করে অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যায় না। পুরনো আয়কর ব্যবস্থায় বয়স ও নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী প্রবীণ এবং ‘সুপার সিনিয়র সিটিজেন’দের জন্য আলাদা কর-সুবিধা থাকতে পারে। স্বাস্থ্যবিমা ও আমানতের সুদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট শর্তে করছাড় পাওয়া যায়।
9
11
আবেদনের জন্য আধার বা পরিচয়পত্র, বয়সের প্রমাণ, ঠিকানার প্রমাণ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হতে পারে। রাজ্যভেদে ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বা অন্যান্য নথিও চাওয়া হতে পারে।
10
11
অনলাইনে আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের সরকারি ই-ডিস্ট্রিক্ট বা সমাজকল্যাণ দপ্তরের পোর্টালে গিয়ে ফর্ম পূরণ, নথি আপলোড এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হয়। অফলাইনে আবেদন করার ক্ষেত্রে তহসিলদার, সেবা কেন্দ্র বা সংশ্লিষ্ট সমাজকল্যাণ দপ্তরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
11
11
তবে আবেদন করার আগে নিজের রাজ্য সরকারের সরকারি পোর্টালে সর্বশেষ নিয়ম অবশ্যই দেখে নেওয়া উচিত। কারণ সিনিয়র সিটিজেন কার্ডের যোগ্যতা, নথি, ফি, আবেদন পদ্ধতি এবং সুবিধা রাজ্যভেদে আলাদা হতে পারে।