পালাবদলের পরে পশ্চিমবঙ্গে একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিমা যোজনা ‘আয়ুষ্মান ভারত’।
2
12
যদিও এই প্রকল্প সবার জন্য উপলব্ধ নয়। এই বিমার সুবিধা পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী মানতে হবে। সকল রাজ্যবাসী এর সুবিধা পাবেন না। রাজ্যের প্রায় ৬ কোটি মানুষ এই সুবিধা পাবেন।
3
12
তাহলে বাকিদের কী হবে? সেই সুরাহা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। যাঁরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না তাঁদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পেও বছরে পাঁচ লক্ষের নগদবিহীন স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা পাবেন।
4
12
এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা। অনেকেই ভাবেন এই কাজটি করা অত্যন্ত ঝামেলার এবং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন।
5
12
সেই ধারণা ভুল। বাড়িতে বসে মাত্র ১০ মিনিটে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের সাহায্যেই কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই প্রক্রিয়া।
6
12
সবার প্রথমে ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির অফিশিয়াল বেনিফিশিয়ারি পোর্টালে যেতে হবে। আপনি চাইলে নিজের মোবাইল ফোনে গুগল প্লে স্টোর বা আইওএস স্টোর থেকে আয়ুষ্মান অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে।
7
12
পোর্টালে বা অ্যাপে বেনিফিশিয়ারি হিসেবে নিজের বৈধ মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে। লগ ইন করার সময় আপনার মোবাইল নম্বরে ওটিপি) আসবে, সেটি নির্দিষ্ট স্থানে সঠিকভাবে পূরণ করে পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে।
8
12
এরপর রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ, জেলার নাম এবং ব্লকের নাম নির্বাচন করতে হবে। তারপর সার্চ অপশনে গিয়ে আপনার আধার কার্ডের নম্বর বা রেশন কার্ডের নম্বর টাইপ করে পরিবারের বিস্তারিত তথ্য খুঁজে বের করতে হবে।
9
12
আপনার বা আপনার পরিবারের নাম তালিকায় থাকলে নামের পাশে থাকা ই-কেওয়াইসি বাটনে ক্লিক করুন। এরপর আধার ভেরিফিকেশন করতে হবে। মোবাইল ওটিপির মাধ্যমে খুব সহজেই এই ধাপ পূরণ হয়ে যাবে।
10
12
এর পরে একটি নতুন পেজ খুলবে যেখানে আবেদনকারীর সম্পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে। ছবি তোলার অপশন থাকবে, মোবাইলের ক্যামেরার মাধ্যমে সরাসরি ছবি তুলে আপলোড করে আবেদনটি সাবমিট করে দিতে হবে।
11
12
কেওয়াইসি করতে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের নিজস্ব বৈধ আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের ডিজিটাল রেশন কার্ড। পরিবারের বার্ষিক আয় যে আট লক্ষ টাকার কম, তার প্রমাণস্বরূপ স্বঘোষিত আয়ের শংসাপত্র।
12
12
এছাড়াও বৈধ এবং সক্রিয় আধারের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা মোবাইল নম্বর, একটি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং ঠিকানা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র হাতের কাছে রাখা উচিত।