শিমলা-গোয়া নয়, দেশের সীমান্তের এই গ্রামগুলো ঘুরে দেখার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রী মোদির, এবার ছুটিতে যাবেন নাকি?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৯ জুলাই ২০২৬ ১৬ : ২০
শেয়ার করুন
1
12
জনপ্রিয় পাহাড়ি শহর বা সমুদ্রসৈকতের বদলে দেশের সীমানা ঘেঁষে থাকা শান্ত ও সুন্দর সীমান্ত গ্রামগুলো ঘুরে দেখার জন্য দেশের তরুণ প্রজন্মকে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
2
12
সম্প্রতি ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এ অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে এক বিশেষ ভার্চুয়াল আলোচনায় এই বার্তা দেন তিনি।
3
12
প্রধানমন্ত্রীর মতে, কেবল সমাজমাধ্যম বা ডিজিটাল স্ক্রিনে না দেখে, ভারতের একেবারে শেষ সীমান্তে গিয়ে স্থানীয় মানুষ ও তাঁদের জীবনযাত্রাকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা।
4
12
অতীতে সীমান্তবর্তী যেসব অঞ্চলকে দেশের দূরবর্তী বা 'শেষ গ্রাম' হিসেবে অবহেলা করা হত, প্রধানমন্ত্রী সেই দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই এলাকাগুলি আসলে দেশের শেষ প্রান্ত নয়, বরং ভারতের 'প্রথম গ্রাম'।
5
12
সীমান্তে বসবাসকারী মানুষেরা কেবল যে প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকেন তা নয়, তাঁরা ভারতের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির অন্যতম প্রহরী।
6
12
এক্ষেত্রে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নিরিবিলি পরিবেশ ও ঐতিহাসিক গুরুত্বে ভরপুর বেশ কয়েকটি সীমান্ত গ্রামে ঘুরে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
7
12
মানা (উত্তরাখণ্ড): বদ্রীনাথের খুব কাছে ভারত-চীন সীমান্তে অবস্থিত এই মনোরম গ্রামটিকে ভারতের ‘প্রথম গ্রাম’ বলা হয়। মহাভারতের গল্পের সঙ্গে যুক্ত এই মানা গ্রামে রয়েছে ঐতিহাসিক ব্যাস গুহা ও প্রাকৃতিক পাথর দিয়ে তৈরি ‘ভীম পুল’।
8
12
ছিটকুল (হিমাচল প্রদেশ): বাসপা নদীর তীরে এবং বরফাবৃত পাহাড়ের কোলে অবস্থিত এটি হিমাচল প্রদেশের শেষ বসতি। কাঠের তৈরি পুরনো ঘরবাড়ি ও নিস্তব্ধ পাহাড়ি পরিবেশের জন্য ছিটকুল ভ্রমণপ্রেমীদের প্রিয় হতে পারে।
9
12
কিবিথু (অরুণাচল প্রদেশ): ভারতের একেবারে পূর্ব দিকের এই গ্রামে দেশের প্রথম সূর্যোদয় ঘটে। কিবিথু-তে লোহিত নদীর ধারের প্রাকৃতিক রূপ আর পাহাড়ি উপত্যকার দৃশ্য এখানে আসা পর্যটকদের মোহিত করে।
10
12
তুরতুক (লাদাখ): লাদাখের এই সীমান্ত গ্রামটি তার বিশেষ ‘বালতি’ সংস্কৃতি, এপ্রিকট ফল আর প্রাচীন জীবনযাত্রার জন্য পরিচিত।
11
12
প্রধানমন্ত্রী দেশের যুবসমাজকে অনুরোধ করেছেন, ছুটির দিনে সাধারণ পর্যটনকেন্দ্রের ভিড়ে না গিয়ে এই গ্রামগুলিতে যেতে। এতে তরুণরা একদিকে যেমন দেশের আসল বৈচিত্র্য জানতে পারবেন, একইসঙ্গে স্থানীয় মানুষের তৈরি জিনিসপত্র কিনলে ও সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের প্রচার করলে সেখানকার স্থানীয় অর্থনীতি মজবুত হবে।
12
12
সহজ কথায়, সীমান্ত গ্রামের এই নতুন ভ্রমণধারা ভারতের সৌন্দর্যকে চেনার পাশাপাশি দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকেও শক্তিশালী করে তুলবে।