প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার। কৃষি দফতর আগামী ১৫ জুন থেকে বিভিন্ন রাজ্যজুড়ে বিশেষ জমির নথি যাচাই অভিযান শুরু করতে চলেছে।
2
10
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, যেসব কৃষক জমির তথ্য আপডেট না থাকার কারণে এই প্রকল্পের বার্ষিক ৬,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না, তাঁদের সমস্যার দ্রুত সমাধান করা।
3
10
বহু কৃষক এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করলেও পোর্টালে জমির তথ্য হালনাগাদ না থাকায় তাঁরা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই সমস্যা দূর করতেই সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
4
10
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৫ জুন থেকে রাজ্যের কৃষি দফতর কর্তৃক নির্ধারিত সমস্ত সার বিতরণ কেন্দ্রে বিশেষ সহায়তা শিবির বা হেল্প ডেস্ক চালু করা হবে। এই হেল্প ডেস্কগুলিতে কৃষকরা এই সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান পাবেন।
5
10
হেল্প ডেস্কে কৃষকদের আবেদন বা সুবিধার বর্তমান অবস্থা যাচাই করা হবে। পাশাপাশি জমির নথি আপডেট করা, নিবন্ধন সংক্রান্ত ত্রুটি সংশোধন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া এবং যাচাইকরণ সংক্রান্ত সহায়তাও দেওয়া হবে। ফলে কৃষকদের আর আলাদা করে বিভিন্ন সরকারি দফতরে ঘুরতে হবে না।
6
10
কৃষি দফতর জানিয়েছে, নির্ধারিত কেন্দ্রে যাওয়ার সময় প্রত্যেক কৃষককে অবশ্যই আধার কার্ড এবং সর্বশেষ জমির রেকর্ড সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এর মাধ্যমে জমির মালিকানার তথ্য যাচাই করে তা পিএম কিষাণ পোর্টালে আপডেট করা হবে।
7
10
অন্যদিকে, পাহাড়ি এলাকার কৃষকদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওইসব অঞ্চলের কৃষকরা সংশ্লিষ্ট গ্রামের কর্তৃপক্ষের জারি করা বৈধ জমির শংসাপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে সেই শংসাপত্র সংশ্লিষ্ট সাব-ডিভিশনাল অফিসার দ্বারা সত্যায়িত হতে হবে।
8
10
কৃষি দফতরের মতে, জমির তথ্য সঠিকভাবে আপডেট না থাকলে পিএম কিষাণ প্রকল্পের অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো সম্ভব হয় না। তাই ভবিষ্যতে যাতে কোনও যোগ্য কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই বিশেষ অভিযান শুরু করা হচ্ছে।
9
10
উল্লেখ্য, কেন্দ্র সরকারের পিএম কিষাণ প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষকদের প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এই অর্থ বছরে তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। কৃষকদের আর্থিক সুরক্ষা এবং কৃষিকাজে সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
10
10
দেশের সমস্ত যোগ্য কৃষকদের এই বিশেষ অভিযানের সুযোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছে। নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জমির তথ্য দ্রুত আপডেট করলে পিএম কিষাণ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা নির্বিঘ্নে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে দফতর।