অর্থ, ধন-সম্পদের অধিকারী হতে কে না চায়! তবে অনেকেই মনে করেন, কঠোর পরিশ্রম, সঠিক পরিকল্পনা এবং দক্ষতার পাশাপাশি ভাগ্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
2
12
জ্যোতিষশাস্ত্র এবং সংখ্যাতত্ত্ব বা নিউমেরোলজিতে বিশ্বাস করা হয়, একজন মানুষের জন্মতারিখ তার জীবনের নানা দিককে প্রভাবিত করে। সেই কারণেই জন্মসংখ্যা অনুযায়ী কিছু বিশেষ টোটকা বা প্রতিকার মেনে চললে আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা বাড়তে পারে বলে মনে করা হয়।
3
12
সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, জন্মতারিখের অঙ্কগুলো যোগ করে একটি সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। তবে সাধারণভাবে ১, ১০, ১৯ ও ২৮ তারিখে জন্মালে জন্মসংখ্যা ১ ধরা হয়। এই সংখ্যার অধিপতি সূর্য। তাঁদের প্রতিদিন সকালে সূর্যকে জল অর্পণ করা এবং সোনালি রঙের কোনও জিনিস ব্যবহার করা শুভ বলে মনে করা হয়।
4
12
২, ১১, ২০ ও ২৯ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের সংখ্যা ২। এদের শাসক গ্রহ চন্দ্র। মানিব্যাগে একটি ছোট রুপোর মুদ্রা বা রুপোর কোনও জিনিস রাখলে অর্থভাগ্য উন্নত হতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
5
12
৩, ১২, ২১ ও ৩০ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের জন্য বৃহস্পতির আশীর্বাদ গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। এই ব্যক্তিরা হলুদ রঙের পোশাক পরতে পারেন বা কপালে জাফরানের তিলক লাগাতে পারেন। এতে সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায় বলে মনে করা হয়।
6
12
৪, ১৩, ২২ ও ৩১ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের নিয়মিত শিবের আরাধনা করতে বলা হয়। বিশেষ করে শিবমন্দিরে চাল নিবেদন এবং ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্র জপ করা শুভ বলে ধরা হয়।
7
12
৫, ১৪ ও ২৩ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের জন্য বুধবার গণেশের পুজো করা উপকারী বলে মনে করা হয়। গণেশকে দূর্বা ঘাস অর্পণ করলে বাধা-বিপত্তি দূর হয় বলে বিশ্বাস।
8
12
৬, ১৫ ও ২৪ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের ওপর শুক্র গ্রহের প্রভাব বেশি থাকে। এঁদের প্রতি শুক্রবার মা লক্ষ্মীর পুজো করা এবং ক্ষীর নিবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। সুগন্ধি ব্যবহার করাও শুভ বলে মনে করা হয়।
9
12
৭, ১৬ ও ২৫ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের জন্য গণেশের আরাধনা বিশেষ ফলদায়ক বলে ধরা হয়। বৃহস্পতিবার গণেশকে লাড্ডু নিবেদন করলে আর্থিক স্থিতি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে বিশ্বাস।
10
12
৮, ১৭ ও ২৬ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের শনি গ্রহের প্রভাব বেশি থাকে। এঁদের কাককে খাবার খাওয়ানো এবং দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
11
12
৯, ১৮ ও ২৭ তারিখে জন্মানো ব্যক্তিদের জন্য হনুমানজির উপাসনা শুভ বলে মনে করা হয়। টানা সাত মঙ্গলবার হনুমান মন্দিরে গিয়ে প্রসাদ নিবেদন করলে ইতিবাচক ফল মিলতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
12
12
তবে মনে রাখা প্রয়োজন, এগুলি সম্পূর্ণ জ্যোতিষ ও বিশ্বাসভিত্তিক ধারণা। ধনী হওয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হল পরিশ্রম, সঞ্চয়ের অভ্যাস, সঠিক বিনিয়োগ এবং বিচক্ষণ আর্থিক পরিকল্পনা।