১ আগস্ট থেকে কলকাতার নির্দিষ্ট কিছু সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইসকনের (ISKCON) সহযোগিতায় মিড-ডে মিল পরিবেশন শুরু হয়েছে।
2
11
প্রথম পর্যায়ে ৫০০টি স্কুলের প্রায় ৪৪ হাজার পড়ুয়া এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রকল্পের পরিধি আরও বাড়ানো হবে।
3
11
ইসকনের অত্যাধুনিক মেগা কিচেনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খাবার প্রস্তুত করে নির্ধারিত সময়ে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সেই খাবার পেয়ে রীতিমতো খুশি পড়ুয়ারা।
4
11
খাবার পেয়ে কতটা খুশি পড়ুয়ারা, তা খতিয়ে দেখতে শনিবার খোঁজ নেওয়া হয়েছিল শহরের একটি নামী মেয়েদের স্কুলে।
5
11
এদিন স্কুলে এক পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলতেই জানা গেল কী খাবার দেওয়া হয়েছে আজ স্কুলে। ওই পড়ুয়া জানায়, শনিবারের মেনুতে ছিল খিচুড়ি, পাঁপড় ভাজা, ডিম সেদ্ধ এবং একটি গজা।
6
11
পড়ুয়া জানিয়েছে, ১ আগস্ট থেকে প্রতিদিন নানা রকম খাবার দেওয়া হচ্ছে। গরম গরম খাবার খেতে বেশ ভালও লাগছে।
7
11
স্কুলের প্রধানশিক্ষিকা নন্দা ভবানী বলেন, “১ আগস্ট থেকেই স্কুলে ইসকনের মিড ডে মিল আসা শুরু হয়েছে। গত শনিবার থেকে আজ পর্যন্ত রোজ খাবার এসেছে পর্যাপ্ত পরিমাণে।”
8
11
তিনি আরও জানিয়েছেন, “প্রতিটি খাবার ইসকনের তরফ থেকে সিল করা কন্টেনারে পাঠানো হয়েছে। সব খাবার গরম ছিল। ছাত্রীরা ভাল খাবার খেয়ে খুব খুশি।”
9
11
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মিড ডে মিল প্রকল্পের সূচনার সময় জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেনু তৈরি করা হবে।
সরকারের তরফে দাবি, এই উদ্যোগে শিশুদের পুষ্টির মান উন্নত হবে, স্কুলে উপস্থিতির হার বাড়বে। ধাপে ধাপে রাজ্যের আরও সরকারি বিদ্যালয়ে এই প্রকল্প সম্প্রসারিত করা হবে।