রবিবার কলকাতার ধর্মতলায় ডিওয়াইএফআই-এর ইনকিলাব সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তাপের মধ্যেই এক ঝাঁঝালো আক্রমণ শানালেন সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
2
8
সমাবেশের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি শাসক দল থেকে শুরু করে রাজ্যের বিরোধী শিবির—উভয়কেই তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতীক ও নিজেদের অস্তিত্বের লড়াই নিয়ে তার মন্তব্য এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
3
8
এদিন সেলিম খোঁচা দিয়ে বলেন, অতীতে যাদের লালনপালন করে বা দয়া করে নির্বাচনী প্রতীক দেওয়া হয়েছিল, আজ তারা নিজের দলের প্রতীক হারাচ্ছে কারণ তাদের ওপর আর বিজেপির সেই করুণা নেই।
4
8
তাঁর স্পষ্ট বার্তা, রাজনীতি কখনোই অন্যের দয়ায় বা ভাড়ায় করা যায় না; রাজনীতি করতে হয় নিজের শক্তিতে এবং লক্ষ্য সবসময় স্পষ্ট রাখতে হয়।
5
8
রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দমনপীড়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাস সবসময় আমাদের শিক্ষা দেয়। আজ যারা ক্ষমতার অহঙ্কারে মত্ত, তারা চিরকাল ক্ষমতায় থাকবে না।
6
8
তাই এত ঔদ্ধত্য দেখানো একেবারেই ঠিক নয়। মমতা ব্যানার্জি অতীতে এই সাধারণ শিক্ষাটা নেননি, আর বর্তমান প্রেক্ষাপটে শুভেন্দু অধিকারীরও সেই একই ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত।
7
8
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোটের প্রসঙ্গ টেনে সেলিম দাবি করেন, নিরপেক্ষভাবে ভোট হলে বামপন্থীরা যে মানুষের সমর্থন পাবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে শুভেন্দুকে আক্রমণ করে তিনি পুরনো দিনের কথাও মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, শুভেন্দু যখন একসময়ে মমতা ব্যানার্জির দলেই ছিলেন, তখন ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে কী ধরনের তাণ্ডব চলেছিল তা মানুষ ভোলেনি।
8
8
এমনকি নন্দীগ্রামেও এখন সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ঠিক যেমনটা তৃণমূলের অভিষেক ব্যানার্জি করে থাকেন, ঠিক একই কায়দায় শুভেন্দু অধিকারীও হুমকি দিচ্ছেন যাতে কেউ ভোটে দাঁড়ানোর সাহস না পায়। দুজনেই আদতে একই ছাঁচে গড়া এবং মুখ্যমন্ত্রীর সেই রাজনৈতিক লাইনেই যেন হেঁটে চলেছেন।