যে গ্রাহকরা সাধারণত একটি বা দুটি বোতল কিনতেন, আজ তাদের পুরো কেস ভর্তি করে মদ বাড়ি নিয়ে যেতে দেখা গেছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শুধুমাত্র আজকের জন্যই দাম ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অভাবনীয় মূল্যহ্রাসের ফলে সাধারণ ব্র্যান্ড ছেড়ে অনেক ক্রেতাই এখন প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের দিকে ঝুঁকছেন।
2
6
পাঞ্জাবজুড়ে মদের দোকানে উপচে পড়া ভিড় ছিল ৩১ মার্চ। আর্থিক বছর ২০২৫-২৬-এর আবগারি চুক্তির শেষ দিন, আর তাই পুরনো স্টক খালি করতে লিকার কন্ট্রাক্টররা দামের ওপর দিয়েছেন বিশাল ছাড়। জলন্ধর, লুধিয়ানা, অমৃতসর, ভাতিন্ডা, পাঠানকোট এবং মোহালির মতো শহরগুলোতে সকাল থেকেই সুরাপ্রেমীদের লম্বা লাইন চোখে পড়ে।
3
6
পাঞ্জাবের প্রতিবেশী শহর চণ্ডীগড়েও মদের দামে বড়সড় পতন লক্ষ্য করা গেছে, তবে সেখানে পাঞ্জাবের মতো ভিড় হয়নি। এর মূল কারণ চণ্ডীগড় পুলিশের কড়া নজরদারি ও বিভিন্ন জায়গায় বসানো চেকপোস্ট। নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তির পক্ষে পুরো এক কেস মদ বহন করা বেআইনি, আর সেই আইনি জটিলতা ও পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়েই চণ্ডীগড়ের মানুষ খুব একটা কেনাকাটা করতে সাহস পাচ্ছেন না।
4
6
দামের দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে, ইম্পেরিয়াল ব্লু, রয়্যাল স্ট্যাগ এবং ওল্ড মঙ্ক-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলি এখন মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া রয়্যাল চ্যালেঞ্জ এবং অল সিজনস-এর দাম ঘোরাফেরা করছে ৪০০ টাকার আশেপাশে। প্রিমিয়াম সেগমেন্টে ব্লেন্ডার্স প্রাইড এবং অ্যান্টিকুইটি ব্লু পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার রেঞ্জে।
5
6
যারা বিদেশি বা দামী ব্র্যান্ড পছন্দ করেন, তাদের জন্য এখন ব্ল্যাক লেবেল ২২০০ টাকা এবং রেড লেবেল মাত্র ১২০০ টাকায় মিলেছে। এমনকি গ্লেনলিভেট ১২ বছরের বোতল পাওয়া যাচ্ছিল ২৭০০ টাকায়।
6
6
বিয়ারের ক্ষেত্রেও একই ছবি; আগে যে বিয়ার ২২০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হতো, তা ১৫০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে মিলেছে। সব মিলিয়ে আর্থিক বছরের শেষ দিনে পাঞ্জাবে সুরাপ্রেমীদের মধ্যে এক এলাহি উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়।