বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী গ্রহের অবস্থান বিভিন্ন রাশির উপর বিভিন্ন রকমের প্রভাব ফেলে। যখন কোনও দু'টো গ্রহ একই রাশিতে অবস্থান করে তখন তাকে জুটি বলে। এছাড়া যখন কোনও গ্রহ একে অন্যের সপ্তম ঘর থেকে হয়ে সামনাসামনি হয় তখন তৈরি হয় প্রতিজুটি। এর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী যোগ হচ্ছে চন্দ্র এবং মঙ্গলের জুটি। এই জুটি যদি কারও জন্মছকের পঞ্চম ঘরে থাকে তবে সেই ব্যক্তি রাজার হালে জীবন কাটাবেন। ছবি- সংগৃহীত
2
7
চন্দ্র এবং মঙ্গলের কারণে তৈরি হওয়া কুণ্ডলী যোগ থাকলে সেটাকে রাজযোগ বলে। কোনও অভাব অনটন থাকে না সেই ব্যক্তির। ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স সবসময়ই ফুলেফেঁপে থাকে। কোনও অর্থকষ্ট বা স্ট্রাগেলের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় না। এবার জেনে নিন কী করে কুণ্ডলী বা জন্মছকে চন্দ্র এবং মঙ্গলের এই জুটি তৈরি হয়। ছবি- সংগৃহীত
3
7
চন্দ্র মনের অধিপতি। কর্কট রাশির অধিপতি হল চাঁদ। বৃষ এর উপর এবং বৃশ্চিক নিচে থাকে। চন্দ্রের শক্তি নির্ভর করে সূর্যের থেকে দূরত্বের উপর। সূর্যের থেকে এর অবস্থান যত দূরে হয় ততই শক্তিশালী হয়। অন্যদিকে মঙ্গল ক্রুর প্রকৃতির গ্রহ। বৃশ্চিক এবং মেষ রাশির অধিপতি এটি, এর উপর মকর এবং নিচে কর্কট থাকে। মঙ্গল দুর্বল হলে রক্তের সমস্যা, হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। ছবি- সংগৃহীত
4
7
এবার এই দুই বিপরীতধর্মী গ্রহ যখন কারও জন্মছকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকে তখন তৈরি হয় কুণ্ডলী যোগ। কোনও ব্যক্তির জন্মছকে একসঙ্গে একই রাশিতে এই দুই গ্রহ থাকে তখনই তৈরি হয়। এটিকে লক্ষ্মীযোগও বলা হয়। ছবি- সংগৃহীত
5
7
কোন কোন রাশিরা শুভ ফল পায় এই যোগের? জন্মছক বা মুন সাইন অনুযায়ী কারও রাশি যদি মেষ, তুলা, বৃশ্চিক, মকর বা মীন রাশিতে হয় তবে এই যোগের শুভ ফল পান জাতকেরা। অগাধ ধনসম্পত্তি পান। সৌভাগ অধিকারী হয়। বহু প্রতিভার অধিকারী হন। কেরিয়ারে কোনও বাধার সম্মুখীন হতে হয় না। ছবি- সংগৃহীত
6
7
যদি চন্দ্র এবং মঙ্গল কারও জন্মছকের ১০ নম্বর ঘরে থাকে তখন সেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন ব্যক্তিরা। ঠগবাজ হন। ছবি- সংগৃহীত
7
7
আবার কারও জন্মছকের যদি ৭, ৮ বা ১২ ঘরে চন্দ্র, মঙ্গল জুটি বাঁধে তাহলে সেই ব্যক্তি মাঙ্গলিক হন। তাঁদের বৈবাহিক জীবনে ঝামেলা, অশান্তি লেগেই থাকে। ছবি- সংগৃহীত