দুষ্টু ছবির ওয়েবসাইটে ছড়িয়েছিল জাহ্নবীর ছবি! ভয়ঙ্কর হেনস্থার শিকার শ্রীদেবী-কন্যা
নিজস্ব সংবাদদাতা
৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ : ৫৯
শেয়ার করুন
1
10
মাঝেমধ্যেই কিশোরী বয়সের একটা ভয়ঙ্কর ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আজও শিউরে ওঠেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন শ্রীদেবী-কন্যা।
2
10
মাত্র ১৫ বছর বয়সে দুষ্টু ছবির সাইটে নিজের বিকৃত ছবি দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। কেবল অতীত নয়, বর্তমানে পাপারাৎজিদের আচরণ নিয়েও নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
3
10
জাহ্নবী জানান, তখন তিনি স্কুলের ছাত্রী। একদিন হঠাৎই আবিষ্কার করেন ইন্টারনেটে একটি দুষ্টু ছবির সাইটে তাঁর ছবি দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেই ছবি ছিল সম্পূর্ণ জাল বা ‘মর্ফড’।
4
10
কেউ তাঁর মুখ অন্য কারওর শরীরের ওপর বসিয়ে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়েছিল। জাহ্নবী বলেন, "সেই সময় আমার বয়স ছিল মাত্র ১৫। স্কুলে বন্ধুদের মধ্যে কানাঘুষো শুনে আমি যখন ওই ছবিটা দেখি, তখন আমার পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছিল। আমি কাঁদতে কাঁদতে বাড়িতে এসেছিলাম। সারাক্ষণ মনে হতো সবাই হয়তো ভাবছে ওটা সত্যিই আমি।"
5
10
এই ধরনের পরিস্থিতি কতটা সহজে বাস্তবকে বিকৃত করে দিতে পারে, তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এগুলো এমনভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয় যেন মনে হয় আমি নিজেই সেগুলো পোস্ট করেছি। এতে মানুষের মনে এক ধরনের ভুল ধারণা তৈরি হয়।”
6
10
জাহ্নবী আরও জানান যে, এই বিষয়টি তাঁর কাজের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, "যদি আমি কোনও পরিচালককে বলি যে আমি কোনও এক ধরনের পোশাক পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি না, তখন কেউ সেই ছবিগুলো দেখিয়ে বলতেই পারেন, কিন্তু আপনি তো আগেও এমনটা করেছেন।"
7
10
এমনকী তারা যদি মুখে কিছু না-ও বলে, তবুও নিজের মনে একটা সংকোচ কাজ করে।"
8
10
বর্তমানে পাপারাজ্জিদের একাংশের বিকৃত মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেন, আজকাল অভিনেত্রীরা যখন গাড়ি থেকে নামেন বা কোথাও যান, তখন ক্যামেরার লেন্স তাঁদের শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে জুম করা হয়।
9
10
জাহ্নবীর কথায়, "ক্যামেরা যখন কোনও নারীর শরীরের ওপর অশালীনভাবে জুম করা হয়, তখন সেটা কেবল পেশাদারিত্ব নয়, বরং চরম অসম্মানজনক। অনেক সময় ভুল অ্যাঙ্গেল থেকে ছবি তোলা হয় শুধুমাত্র সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য।"
10
10
তিনি আরও যোগ করেন, জিম সেশনের বাইরে বা কোনও অনুষ্ঠানের সময় যখন পাপারাজ্জিরা এমন আচরণ করেন, তখন তাঁদের মনে রাখা উচিত যে অভিনেত্রীরাও মানুষ। প্রতিটি মানুষেরই ব্যক্তিগত সম্মান ও গোপনীয়তার অধিকার আছে। জাহ্নবীর এই বিস্ফোরক মন্তব্য বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।