ইরান, আমেরিকা ও ইজরায়েলের ভয়াবহ সংঘাতের আঁচ লেগেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। জ্বালানি তেলের দাম চড়ছে। টালমাটাল শেয়ার বাজার। এই অস্থির সময়ে বিনিয়োগকারীরা কী করবেন, তা নিয়েই এখন তুঙ্গে চর্চা।
2
8
বিশ্বরাজনীতিতে সেই ঝোড়ো হাওয়া লেগেছে। সংঘর্ষ থিতু হওয়ার কোনও লক্ষণ না মেলায় স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তায় লগ্নিকারীরা। ঠিক এই সময়ে কিছু জিনিস মাথায় রাখা উচিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
3
8
খবরের কাগজের হেডলাইন দেখে আতঙ্কিত হয়ে শেয়ার কেনাবেচা না করাই ভালো। ইতিহাস বলছে, যুদ্ধের শুরুতে বাজার পড়লেও পরে তা আবার ঘুরে দাঁড়ায়। তাই দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্যের কথা মাথায় রেখে শান্ত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
4
8
এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো জ্বালানি তেল। পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্বজুড়ে জিনিসের দাম বাড়তে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে শেয়ার বাজার ও আমজনতার পকেটে।
5
8
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধের আবহে প্রতিরক্ষা, ধাতু এবং প্রযুক্তি সংক্রান্ত ক্ষেত্রগুলি ভালো ফল করে। উল্টোদিকে বিমান চলাচল, পর্যটন বা আমদানি-রপ্তানি নির্ভর ব্যবসাগুলো কিছুটা চাপে থাকতে পারে।
6
8
বাজার যখন অস্থির, তখন সোনা বরাবরই 'নিরাপদ আশ্রয়'। মুদ্রাস্ফীতি বা টাকার দাম কমলে সোনা ও রূপো পোর্টফোলিওকে সুরক্ষা দেয়।
7
8
এহেন যুদ্ধ আবহে বাজারে হুটহাট ধস নামে। সেই সময় কম দামে ভালো শেয়ার কেনার জন্য হাতে ১০-১৫% নগদ টাকা রাখা জরুরি। এছাড়া সরকারি বন্ড বা মিউচুয়াল ফান্ডের ‘শর্ট টার্ম’ স্কিমে টাকা রাখা নিরাপদ।
8
8
বাজারের ওঠা-পড়া থাকবেই। যুদ্ধের মেঘ কেটে গেলে বাজার আবার চাঙ্গা হবে। তাই বারবার পোর্টফোলিও না বদলে ধৈর্য ধরে সঠিক জায়গায় টাকা বিনিয়োগ করে রাখাই এখনকার সেরা কৌশল।
সব ছবি সংগৃহীত।