কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে দীর্ঘদিন ধরেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে আসছে টিম ইন্ডিয়া। ২০০৯ সালের পর থেকে এই মাঠে ১৫টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে ভারত, যার মধ্যে জিতেছে ১১টি এবং হেরেছে মাত্র ৪টি।
2
7
শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারতের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম বড় প্রমাণ এই পরিসংখ্যান। ২০১২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এই মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয় পায় তারা। শুধুমাত্র হারতে হয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।
3
7
উল্লেখযোগ্যভাবে, আয়োজক শ্রীলঙ্কা ছাড়া কেবল অস্ট্রেলিয়াই প্রেমদাসায় ভারতকে হারাতে পেরেছে। কলম্বোর এই ঐতিহাসিক ভেন্যুতে ভারতের আধিপত্য কার্যত স্পষ্ট। এই মাঠে সাধারণত রান তাড়া করা দলগুলির সুবিধা বেশি।
4
7
এখানে অনুষ্ঠিত ৫১টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে গড় স্কোর ১৫২। যার মধ্যে ২৮টি ম্যাচে রান তাড়া করে জয় এসেছে। তবে চলতি টুর্নামেন্টে ছবিটা কিছুটা আলাদা। রান তাড়া করতে নেমে দু’বার হেরেছে আয়ারল্যান্ড এবং একবার অস্ট্রেলিয়া।
5
7
বর্তমান টুর্নামেন্টে গড় স্কোর বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৮। ভারত যদি প্রথমে ব্যাট করে ১৫০-র বেশি রান তুলতে পারে সেক্ষেত্রে চাপের ম্যাচে এগিয়ে থাকবে তারা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী কলম্বোতে এই ধরনের পরিস্থিতিতে ছ’টি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটিতে জিতেছে তারা।
6
7
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৬৫ বা তার কাছাকাছি স্কোরই জয়ের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। কলম্বোতে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৭৬/৩ ২০১৮ সালের মার্চে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। করা হয়। সর্বনিম্ন স্কোর ৮১/৮ ২০২১ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।
7
7
মোট ১৫ ম্যাচে ভারতের গড় স্কোর ১৫৭। দুই দলই শক্তিশালী স্পিন আক্রমণ নিয়ে মাঠে নামছে। তবে ভারতের হয়ে জসপ্রীত বুমরা দলে ফেরায় ভারতের পেস বোলিং পাকিস্তানের তুলনায় কিছুটা শক্তিশালী। অন্যদিকে পাকিস্তানের তুরুপের তাস মিস্ট্রি স্পিনার উসমান তারিক।