আজকাল কোথাও যাওয়ার আগে রাস্তা খুঁজতে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছেন। নতুন জায়গা হোক কিংবা প্রতিদিনের অফিস যাওয়ার রাস্তা, গুগল ম্যাপঅনেকের নিত্যসঙ্গী।
2
10
জানেন কি এই অ্যাপে এমন একটি ফিচার রয়েছে, যার কথা অনেকেই জানেন না। এই ফিচারটি ব্যবহার করলে পেট্রোল বা ডিজেলের খরচ কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে।
3
10
গুগল ম্যাপের এই সুবিধার নাম ফুয়েল-এফিসিয়েন্ট রাউটিং। সহজ কথায়, এটি এমন রাস্তা বেছে নিতে সাহায্য করে যেখানে গাড়ির জ্বালানি তুলনামূলক কম খরচ হবে।
4
10
অনেকের ধারণা, সবচেয়ে ছোট বা দ্রুত রাস্তা ধরলেই জ্বালানি কম খরচ হয়। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি সবসময় এমন নয়। কোনও রাস্তায় যদি বেশি যানজট থাকে, বারবার ব্রেক করতে হয় বা বারবার থামতে হয়, তাহলে জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়। আবার উঁচু-নিচু রাস্তা বা অতিরিক্ত ভিড় থাকলেও গাড়ি বেশি তেল খায়।
5
10
গুগল ম্যাপ রাস্তার অবস্থা, ট্রাফিক পরিস্থিতি, দূরত্ব এবং গাড়ির গতির মতো বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন একটি রুট সাজেস্ট করে, যেখানে কম জ্বালানি খরচ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে এই ফিচার ব্যবহার করলে কিছুটা হলেও টাকা বাঁচানো সম্ভব।
6
10
এই ফিচার চালু করাও খুব সহজ। প্রথমে গুগল ম্যাপ খুলুন এবং কোথায় যেতে চান তা লিখুন। এরপর ‘ডিরেকশনস’ অপশনে ক্লিক করে গাড়ির আইকন নির্বাচন করুন।
7
10
অনেক ক্ষেত্রে গুগল ম্যাপ নিজেই সবচেয়ে জ্বালানি-সাশ্রয়ী রুট দেখিয়ে দেয়। যদি না দেখায়, তাহলে অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে 'ফুয়েল-এফিসিয়েন্ট-রুটস' অপশনটি চালু করতে হবে।
8
10
আরও একটি সুবিধা হল, আপনি আপনার গাড়ি পেট্রোল, ডিজেল, হাইব্রিড নাকি বৈদ্যুতিক-সেটিও উল্লেখ করতে পারেন। এতে গুগল ম্যাপ আরও ভালভাবে রুট নির্ধারণ করতে পারে।
9
10
বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা প্রতিদিন অনেক দূর গাড়ি চালান বা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, তাঁদের জন্য এই ফিচার বিশেষভাবে উপকারী। শুধু টাকা বাঁচানোই নয়, কম জ্বালানি খরচ মানে পরিবেশে কম দূষণও।
10
10
তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ী রুট সবসময় সবচেয়ে দ্রুত নাও হতে পারে। কখনও কখনও গন্তব্যে পৌঁছতে কয়েক মিনিট বেশি সময় লাগতে পারে। কিন্তু যদি লক্ষ্য হয় পেট্রোল বা ডিজেলের খরচ কমানো, তাহলে এই ফিচারটি ব্যবহার করে উপকার পাওয়া যেতে পারে।