অবসরের পর জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে অত্যন্ত জরুরি রিটায়ারমেন্ট কর্পাস। এটা থাকলে অবসরের পরেও অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন হতে পারবেন আপনিও। স্বাস্থ্য, দৈনন্দিন ব্যয় ও বিনোদনের মতো জরুরি খরচ করা সম্ভব রিটায়ারমেন্ট কর্পাস থাকলে। এসআইপি-এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে এই সঞ্চয় করলে সুশৃঙ্খল ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ রিটার্ন এবং কর সাশ্রয়েরও সুবিধা মেলে।
2
7
চক্রবৃদ্ধি সুদ সাধারণত বিনিয়োগকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহুগুণে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। যার ফল মেলে রিটার্নের সময়েও। এসআইপি-এর মাধ্যমে প্রতিটি বিনিয়োগ মূলধনের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিনিয়োগের সময়কাল যত দীর্ঘ হয়, চক্রবৃদ্ধি সুদের প্রভাব তত বেশি কার্যকর হয়ে ওঠে।
3
7
বর্তমানে সঞ্চয়ের অন্যতম উপায় এসআইপি বা সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান। এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হয় এবং মিউচুয়াল ফান্ড স্কিমে বিনিয়োগ করা হয়ে থাকে। দীর্ঘ সময়ে এসআইপি করলে গড় বিনিয়োগের খরচ কমে আসে এবং চক্রবৃদ্ধি সুদের ফলে রিটার্নের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
4
7
এখন প্রশ্ন হচ্ছে এসআইপির ক্ষেত্রে অবসরের পর প্রায় ৫.৫ কোটি টাকার রিটায়ারমেন্ট কর্পাস পেতে কত টাকা বিনিয়োগ করতে হবে? উত্তর হল, প্রতি মাসে ১৭,৮৬০ টাকা বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এমন জায়গায় বিনিয়োগ করতে হবে যেখানে প্রত্যাশিত সুদের হার ১২ শতাংশ।
5
7
প্রতি মাসে কেউ ১৭,৮৬০ টাকা করে ১০ বছর বিনিয়োগ করলে আনুমানিক লাভের পরিমাণ হবে প্রায় ১৮,৫৮,০৮১ টাকা। ১০ বছরের সময়কালে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০,০১,৩৮১ টাকা।
6
7
প্রতি মাসে কেউ ১৭,৮৬০ টাকা করে ২০ বছর বিনিয়োগ করলে আনুমানিক লাভের পরিমাণ হবে প্রায় ১,২১,৪২,২৫২ টাকা। ২০ বছরের সময়কালে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়াবে ১,৬৪,২৮,৬৫২ টাকা।
7
7
প্রতি মাসে কেউ ১৭,৮৬০ টাকা করে ৩০ বছর বিনিয়োগ করলে আনুমানিক লাভের পরিমাণ হবে প্রায় ৪,৮৫,৯৬,৫৮২ টাকা। ৩০ বছর পর বিনিয়োগ করা অর্থ এবং রিটার্ন সহ আপনি পাবেন মোট ৫,৫০,২৬,১৮২ টাকা।