হার্ট ভাল রাখতে ভরসা রাখুন এই ৫ খাবারে! জানেন হার্ট অ্যাটাককে কাবু করতে নিয়মিত কী কী খাবেন?
নিজস্ব সংবাদদাতা
২৭ জুলাই ২০২৬ ১৫ : ৩৯
শেয়ার করুন
1
12
বর্তমান সময়ে হৃদরোগ শুধু বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। অনিয়মিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার, মানসিক চাপ, ধূমপান, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের কারণে কম বয়সেও হার্টের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
এমনই পাঁচটি খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
4
12
১. আখরোট: আখরোটকে হার্টের অন্যতম সেরা খাবার বলা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে এবং ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি রক্তনালির প্রদাহ কমিয়ে হার্টকে সুস্থ রাখে। প্রতিদিন ৪-৫টি আখরোট খাওয়া উপকারী হতে পারে।
5
12
২. বেরিজাতীয় ফল: স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, রাস্পবেরির মতো ফলে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি এবং ফাইবার থাকে। এগুলো রক্তনালিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিক্যালের প্রভাব কমায়। নিয়মিত এসব ফল খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকতেও সাহায্য করে। যদি এসব ফল সহজে না পাওয়া যায়, তবে মরশুমি ফলও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন।
6
12
৩. পালং শাক ও অন্যান্য সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজিতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট, আয়রন এবং নাইট্রেট। এই নাইট্রেট রক্তনালিকে প্রসারিত করতে সাহায্য করে, ফলে রক্ত সহজে চলাচল করতে পারে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। পালং শাক, লাল শাক, কলমি শাক বা মেথি শাক নিয়মিত খেলে হার্টের পাশাপাশি পুরো শরীরই ভালো থাকে।
7
12
৪. ওটস: সকালের জলখাবারে ওটস খাওয়ার অভ্যাস হার্টের জন্য খুবই ভালো। ওটসে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার শরীরের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, ফলে অপ্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। ওজন নিয়ন্ত্রণেও ওটস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
8
12
৫. অলিভ অয়েল: রান্নায় বা স্যালাডে পরিমিত পরিমাণে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করলে শরীর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট পায়। এতে থাকা মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। তবে এটি পরিমিত পরিমাণে ব্যবহার করাই ভাল।
9
12
শুধু খাবার নয়, জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু এই পাঁচটি খাবার খেলেই হৃদরোগ পুরোপুরি এড়ানো যাবে না।
10
12
পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করা, ধূমপান ও মদ্যপান এড়ানো, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ কমানো এবং অতিরিক্ত নুন, চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়াও জরুরি।
11
12
হৃদরোগকে ঠেকাতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলতে হবে।
12
12
সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন একসঙ্গে মেনে চললে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাই আজ থেকেই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এই উপকারী খাবারগুলো রাখুন এবং নিজের হার্টকে রাখুন সুস্থ ও সবল।