আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নাটকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। তিনি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ও ক্রয় নিয়ে বিরোধিতা করায় ইউরোপীয় নেটো সদস্য দেশগুলোর ওপর ১০% থেকে ২৫% পর্যন্ত বড় শুল্ক আরোপ করেছেন।
2
9
এটি রয়েছে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও ফিনল্যান্ডকে লক্ষ্য করে। এই শুল্ক ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং জুন থেকে ২৫% পর্যন্ত বাড়ানো হবে যদি সমঝোতা না হয়।
3
9
বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থির পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা সাধারণত “হেভেন” সম্পদ হিসেবে সোনা ও রূপায় সরে আসে। বিশেষত যখন যুদ্ধ, শুল্কযুদ্ধ বা রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়, তখন সোনার দাম তুলনামূলকভাবে বাড়ে কারণ এটি ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
4
9
সম্প্রতি ট্রাম্পের শুল্ক জারির পর বিনিয়োগকারীরা সোনা ও রূপায় দিকেই গিয়েছেন এবং বাজারে সোনা-রূপার চাহিদা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সোনার দাম আরও বাড়বে।
5
9
ইউএস-ইউরোপীয় শুল্কের সিদ্ধান্তের অনিশ্চয়তা বিশ্ব বাজারে ঝুঁকি বাড়ায়, যার প্রভাব শেয়ার সূচকে নেতিবাচকভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। অতীতে ট্রাম্পের শুল্ক নীতির কারণে ভারতীয় শেয়ার বাজারে বড় ধস দেখা গেছে, যা বিনিয়োগকারীদের মনোবল কমিয়েছে।
6
9
তবে ভারতের জন্য সরাসরি ইউরোপীয় শুল্কের চাপ সীমিত হতে পারে কারণ ভারতের বাণিজ্য প্রধানত ইউরোপের সাথে হলেও নেটো ইস্যুতে সরাসরি শুল্কের লক্ষ্য নয়। কেন্দ্রীয় সরকারের মতে, সামগ্রিক অর্থনীতির উপর এর প্রভাব তেমন বড় হবে না এবং রফতানি ও জিডিপি-তে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম আছে।
7
9
ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণা আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সোনা ও রূপার চাহিদা বাড়তে পারে। রাজনীতি-মুদ্রানীতির অনিশ্চয়তায় শেয়ার বাজারে কিছু ঝাঁকুনি আসতে পারে।
8
9
তবে ভারতের অর্থনীতি বর্তমানে শক্তিশালী বৃদ্ধির পথে রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের মতে সামগ্রিক প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকবে। বাস্তবে বাজারের প্রতিক্রিয়া আরও জটিল হবে এবং তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতি ও নীতি নির্ধারকদের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
9
9
এই অবস্থায় ফের একবার হলুদ ধাতুর ওপর বাড়তি চাপ হতে পারে। সেখানে সোমবার বাজার খোলার পর আসল খেলা বোঝা যাবে।