রাজ্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগে চালু হয়েছে 'পিঙ্ক কার্ড'। মূলত ছাত্রী, মহিলা কর্মজীবী এবং নিত্যযাত্রীদের সুবিধার্থেই বিনা খরচে বাসযাত্রার এই ব্যবস্থা।
2
12
এর ফলে শিক্ষা বা কাজের প্রয়োজনে রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাতায়াত মহিলাদের জন্য অনেকটাই সহজ হবে।
3
12
নির্বাচনী ইস্তেহারে অন্নপূর্ণা যোজনার পাশাপাশি বিনামূল্যে বাসযাত্রার এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি সরকার।
4
12
পিঙ্ক কার্ড সঙ্গে থাকলে সরকারি বাসে যেমন বিনা মূল্যে চড়া যাবে, তেমনই যাওয়া যাবে দিঘা বা দার্জিলিংয়ের মতো দূরপাল্লার রুটেও।
5
12
কী এই পিঙ্ক কার্ড? সহজ কথায়, পিঙ্ক কার্ড হল একটি সরকারি পরিচয়পত্র। বাসে উঠে কন্ডাক্টরের টিকিট ভেন্ডিং মেশিনে কার্ডটি ডিজিটালি যাচাই করিয়ে নিলেই মিলবে বিনামূল্যে সফরের ছাড়পত্র।
6
12
কারা পাবেন এই সুবিধা? যাঁদের সত্যিই প্রয়োজন, তাঁদের অগ্রাধিকার দিতেই এই পদক্ষেপ। উচ্চ আয়ের পরিবারের মহিলা কিংবা যাঁরা স্বেচ্ছায় এই সুবিধা ত্যাগ করবেন, তাঁরা এর আওতাভুক্ত নন। সরকারি অর্থ যাতে আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মহিলাদের কাজেই ব্যবহৃত হয়, তা সুনিশ্চিত করা হবে।
7
12
আবেদনের জন্য কিছু নির্দিষ্ট নথি থাকা বাধ্যতামূলক। যেমন, পরিচয়পত্র হিসেবে ভোটার কার্ড, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সক্রিয় মোবাইল নম্বর।
8
12
কীভাবে আবেদন? অনলাইন ও অফলাইন- দুই মাধ্যমেই আবেদনের ব্যবস্থা থাকছে।
9
12
অনলাইনে করতে হলে রাজ্য সরকারের অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে 'Pink Card' অপশন বেছে নিতে হবে। নাম ও মোবাইল নম্বর দিয়ে অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পর প্রয়োজনীয় নথির ডিজিটাল কপি আপলোড করে আবেদনপত্রটি 'Submit' করতে হবে। পরিবহন দপ্তরের যাচাইকরণ শেষে অনুমোদিত কার্ড পৌঁছে যাবে আবেদনকারীর কাছে।
10
12
অফলাইনে করতে হলে পঞ্চায়েত এলাকায় বিডিও অফিস এবং পুরসভা এলাকায় স্থানীয় পুর দপ্তর থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। ফর্মে সঠিক তথ্য লিখে নথির জেরক্স ও ছবি জমা দিলে শুরু হবে নথি যাচাইয়ের কাজ।
11
12
উল্লেখ্য, যাত্রার সময়ে আসল কার্ড বা অনুমোদিত ডিজিটাল কপি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক।
12
12
কেবল আবেদন জানালেই বিনামূল্যে সফরের সুযোগ মিলবে না। আবেদন জমা দেওয়ার পর পিঙ্ক কার্ড অনুমোদিত হয়ে হাতে আসা পর্যন্ত সাধারণ নিয়মেই ভাড়া মেটাতে হবে।