দেশের অন্যতম প্রধান লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম শিপরকেট শেয়ার বাজারে ঝড় তুলে আত্মপ্রকাশ করল। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তির পরই কোম্পানিটির স্টক ইস্যু মূল্যের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি লাফ দিয়েছে।
2
14
এর ফলে যেসব বিনিয়োগকারী আইপিও-তে শেয়ার পেয়েছিলেন, তাঁরা খোলার দিনেই পেয়েছেন দুর্দান্ত রিটার্ন।
3
14
লিস্টিংয়ের তথ্য ও বাজার প্রতিক্রিয়া ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে শিপরকেটের শেয়ার ৯৭ টাকা ইস্যু মূল্যের বিপরীতে ৩৪.০২% প্রিমিয়ামে ১৩০ টাকায় তালিকাভুক্ত হয়।
4
14
অন্যদিকে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে এটি ১২৯.৫০ টাকায় যাত্রা শুরু করে। লিস্টিংয়ের পর কেনাবেচা শুরুর সঙ্গেই শেয়ার দর আরও বাড়ে এবং তা প্রায় ১৩৮.৫৬ টাকায় পৌঁছে যায়—যা মূল আইপিও মূল্যের চেয়ে প্রায় ৪২.৮৫% বেশি।
5
14
আইপিও-তে বিপুল সাড়া ১,৬১৭.৪৮ কোটি টাকার এই আইপিও-তে বিনিয়োগকারীদের তরফ থেকে অভাবনীয় সাড়া মিলেছিল। সার্বিকভাবে প্রকল্পটি ১০২.২৮ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়।
6
14
লিস্টিংয়ে এক লটে বরাদ্দ পাওয়া বিনিয়োগকারীদের লিস্টিং প্রাইসেই ৫,০৮২ টাকার বেশি মুনাফা হয়, যা শেয়ার দর ১৩৮.৫৬ টাকায় পৌঁছাতেই বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৬,৩৯৫ টাকা।
7
14
বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষজ্ঞ পরামর্শ শেয়ার বাজারে এই বিপুল ঊর্ধ্বগতির পর আইপিও-তে শেয়ার পাওয়া বিনিয়োগকারীদের কী করা উচিত—মুনাফা তুলে নেওয়া, না কি শেয়ার ধরে রাখা?
8
14
আংশিক মুনাফা: বর্তমান লাভে কিছু শেয়ার বিক্রি করে মূলধনের সুরক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
9
14
বাকি শেয়ার ধরে রাখা: কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধির সম্ভাবনা থেকে সুবিধা পেতে বাকি শেয়ার ধরে রাখা যেতে পারে।
10
14
স্টপ-লস: বাকি শেয়ারগুলির ক্ষেত্রে ১১০ টাকার স্টপ-লস ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
11
14
কোম্পানির আর্থিক পরিস্থিতি অর্থনৈতিক সূচকে শিপরোকেটের ধারাবাহিক উন্নতি দেখা গেছে। ২৪-২৬ অর্থবর্ষের মধ্যে কোম্পানির রাজস্ব বা রেভিনিউ ২৪% সিএজিআর হারে বেড়েছে।
12
14
একই সঙ্গে কোম্পানির ক্ষতির পরিমাণ ৩৫১ কোটি টাকা থেকে কমে ৭৬ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের হিসাব অনুযায়ী, অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ইতিবাচক হওয়ায় কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদী সম্ভাবনা বেশ আশাব্যঞ্জক।
13
14
যাঁরা আইপিও পাননি তাঁদের করণীয় নতুন বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে হুট করে এই দামে শেয়ার কেনা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, কারণ ইতিমধ্যেই শেয়ারটির দাম ৪৩% পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
14
14
বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন করে প্রবেশ করার আগে শেয়ারের দাম কিছুটা সংশোধিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা অথবা দীর্ঘমেয়াদী আয়ের ধারাবাহিকতা দেখে বিনিয়োগ করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।