শীতের আমেজ উপভোগ করতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু উত্তুরে হাওয়ার সঙ্গেই ঘরে ঘরে হানা দেয় সর্দি-কাশি আর জ্বর। শরীরকে ভেতর থেকে চাঙ্গা রাখতে আর ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে কিছু সামান্য নিয়ম মেনে চললেই ফল ভালো পাবেন৷
2
8
প্রচণ্ড ঠান্ডায় একটা ভারী জ্যাকেট না পরে বরং স্তরে স্তরে কয়েকটা পাতলা জামা পরুন। এতে শরীরের স্বাভাবিক তাপ আটকে থাকে বেশি। বিশেষ করে গলা, কান এবং বুক ঢেকে রাখতে ভুলবেন না। কারণ এখান দিয়েই ঠান্ডাটা শরীরে বেশি জাঁকিয়ে বসে।
3
8
গলা খুসখুস করা থেকে বাঁচতে সারাদিন মাঝে মাঝেই অল্প উষ্ণ জল খান। দুধ-চায়ের বদলে আদাকুচি, লবঙ্গ আর তুলসি পাতা দিয়ে লাল চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
4
8
ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে রোজ সকালে এক চামচ মধুর সঙ্গে সামান্য কালোজিরা মিশিয়ে খেয়ে নিন। আয়ুর্বেদ মতে, এই মিশ্রণ শ্বাসযন্ত্রকে সতেজ রাখে এবং বুক থেকে কফ সরাতে সাহায্য করে।
5
8
শীতের বাজারে এখন আমলকী, কমলালেবু আর কুল প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। রোজকার খাদ্যতালিকায় এগুলো রাখুন। এই ফলগুলিতে ভিটামিন সি থাকে৷ যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরকে তৈরি করে।
6
8
শীতের সকালের রোদ শুধু আরামদায়কই নয়, এটি শরীরের ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস। প্রতিদিন অন্তত পনেরো মিনিট রোদে বসলে হাড় মজবুত হয়। শরীরের ইমিউন সিস্টেম সজাগ থাকে।
7
8
শীতকালে জল কম ঘাটলেও সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাসটা বাদ দেবেন না। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে হাত-মুখ ভালো করে ধুলে ভাইরাস শরীরে ঢোকার সুযোগ পায় না। পকেটে সব সময় একটি ছোট হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে পারেন।
8
8
ঠান্ডা বলে লেপের তলায় কুঁকড়ে না থেকে ঘরেই টুকটাক ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে। পাশাপাশি রাতে অন্তত সাত-আট ঘণ্টা নিটোল ঘুম দরকার।