চিংড়িঘাটার ‘বিখ্যাত’ যানজটের কথা কলকাতাবাসীর কাছে অপরিচিত নয়। দিনের ব্যস্ত সময়ে ওই ক্রসিং পার করতে অনেকটা সময় নষ্ট হয়।
2
12
কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফ থেকে হাজারও প্রচেষ্টা সত্ত্বেও যানজট কমার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি।
3
12
চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে মেট্রোর ৩৬০ মিটারের কাজ আটকে ছিল দীর্ঘদিন। সেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে নতুন সরকার আসার পরে। মেট্রো চালু হয়ে গেলে চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে যানজট কমার আশা করা যায় অনেকটাই।
4
12
চিংড়িঘাটা মোড় শহরের পূর্বাংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক সংযোগস্থল। সল্টলেক, নিউ টাউন, তিলজলা, কসবা, রুবি বা গড়িয়া থেকে আসা গাড়িগুলির একটি বড় অংশ এই রাস্তায় মিলিত হয়, ফলে প্রায়ই দেখা দেয় ব্যাপক যানজট।
5
12
মধ্য কলকাতার সঙ্গে নিউটাউন এলাকার যোগাযোগ উন্নত করার পরিকল্পনা করছে রাজ্য সরকার। সোমবার বাজেট পেশ করার সময় এই কথা ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
6
12
অর্থমন্ত্রী জানান, নিউটাউন অঞ্চলের সঙ্গে মধ্য কলকাতার যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ৭.৪১ কিমি দীর্ঘ চিংড়িঘাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর করার প্রস্তাব করছি।
7
12
তিনি আরও জানান, এই করিডরটি ইএম বাইপাস এবং সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-কে যুক্ত করবে এবং যানজট কমিয়ে নিউটাউনের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করবে।
8
12
অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অনুযায়ী, করিডরটিতে ব়্যাম্প, এলিভেটেড পার্কিং বেস, নয়েজ ব্যারিয়ার, সেতুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং সিসিটিভি-র নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে।
9
12
চিংড়িঘাটা ক্রসিংয়ে যানজট কমানোর লক্ষ্যে গত বছর কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেএমডিএ) একটি সেতু তৈরির পরিকল্পনা করেছিল।
10
12
সায়েন্স সিটি মোড় থেকে ক্যাপ্টেন ভেরি পর্যন্ত একটি নতুন স্টিল সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যানজট অনেকটা কমতো বলে আশা করা হচ্ছিল।
11
12
কেএমডিএ সূত্রে জানা গিয়েছিল, প্রায় ৬০ মিটার দীর্ঘ এবং ১০ মিটার প্রস্থের এই সেতুর নকশায় রাখা হয়েছিল আধুনিক কারওয়ে ও নিরাপদ ফুটপাথ।
12
12
প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১০ কোটি টাকা। রাজ্যের অনুমোদনও মিলেছিল। কিন্তু সেই প্রকল্প আর দিনের আলো দেখেনি। নতুন সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যানজটের হাত থেকে মুক্তি পাবেন শহরবাসী।