মহালয়াতে কোন জিনিস দান করলে খুশি হয় পূর্বপুরুষদের আত্মা? শাস্ত্রমতে কোন দানে কী ফল মেলে?
নিজস্ব সংবাদদাতা
৯ অক্টোবর ২০২৬ ১৪ : ৪১
শেয়ার করুন
1
9
হিন্দু ধর্মে পিতৃপক্ষকে পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর বিশেষ সময় বলে মনে করা হয়। এই সময়ে প্রয়াত আত্মীয়দের উদ্দেশে শ্রাদ্ধ, তর্পণ ও পিণ্ডদানের পাশাপাশি দানধ্যানেরও বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পিতৃপক্ষে সাধ্যমতো দান করলে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি আসে।
2
9
চাল দান: চাল দান করলে আর্থিক সমস্যার বাধা কাটতে পারে। আটকে থাকা টাকা ফেরত পাওয়া কিংবা আচমকা অর্থপ্রাপ্তির সম্ভাবনা বাড়ে৷
3
9
কালো ডাল ও কালো তিল দান: কালো তিল পিতৃপক্ষের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। কালো ডালের সঙ্গে কালো তিল মিশিয়ে দান করাকে শুভ মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দানের মাধ্যমে পরিবারের মঙ্গল কামনা করা যায় এবং রোগ-ব্যাধি ও অশান্তি দূর হওয়ার প্রার্থনা করা হয়।
4
9
কালো ডাল ও কালো তিল দান: কালো তিল পিতৃপক্ষের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। কালো ডালের সঙ্গে কালো তিল মিশিয়ে দান করাকে শুভ মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এই দানের মাধ্যমে পরিবারের মঙ্গল কামনা করা যায় এবং রোগ-ব্যাধি ও অশান্তি দূর হওয়ার প্রার্থনা করা হয়।
5
9
ঘি ও মধু: এই দুই সামগ্রী দানে দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্যের কামনা করা হয়। পূর্বপুরুষদের স্মরণে সাধ্যমতো এই ধরনের খাদ্যসামগ্রী দান করা যেতে পারে।
6
9
পোশাক ও জুতো দান: দরিদ্র মানুষকে পোশাক ও জুতো দান করাকে পুণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। জীবনের আটকে থাকা কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার এবং সুখ শান্তি বজায় থাকে৷
7
9
হলুদ ডাল ও সর্ষের তেল: বিবাহিত জীবনে সুখ-শান্তি এবং বিয়ের বাধা কাটানোর কামনায় হলুদ ডাল ও সর্ষের তেল দানের কথা বলা হয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, যাঁদের বিয়ের আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে এগোচ্ছে না, তাঁরা পিতৃপক্ষে সাধ্যমতো এই সামগ্রী দান করতে পারেন। শুভ ফল পেতে পারেন৷
8
9
তামার বাসন দান: কর্মজীবনে উন্নতি ও বিভিন্ন বাধা কাটানোর প্রার্থনায় তামার বাসন দানের উল্লেখ রয়েছে।
9
9
শ্রাদ্ধ, তর্পণ ও পিণ্ডদানের পাশাপাশি দরিদ্র মানুষকে খাবার এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়ার রীতি রয়েছে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই কাজের মাধ্যমে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনা করা যায়। কোনও দান করলে অর্থপ্রাপ্তি, রোগমুক্তি বা কর্মজীবনে সাফল্য নিশ্চিত হবে—এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এই ফলগুলি ধর্মীয় ও জ্যোতিষীয় বিশ্বাসের অংশ।