ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট কী? কীভাবে জমা দেবেন? জেনে নিন ৭টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
নিজস্ব সংবাদদাতা
২০ জুলাই ২০২৬ ১৭ : ০৬
শেয়ার করুন
1
9
প্রতি বছর দেশের লক্ষ লক্ষ পেনশনভোগীকে পেনশন চালু রাখতে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। আগে এই কাজের জন্য অনেককেই সংশ্লিষ্ট পেনশন অফিস বা ব্যাঙ্কে যেতে হতো।
2
9
তবে এখন প্রযুক্তির কল্যাণে অনেক ক্ষেত্রেই ঘরে বসেই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট (জীবন প্রমাণ) জমা দেওয়ার সুবিধা মিলছে। এর ফলে সময় যেমন বাঁচে, তেমনই প্রবীণ নাগরিকদের ভোগান্তিও অনেকটাই কমে।
3
9
ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট বা জীবন প্রমাণ হল এমন একটি ইলেকট্রনিক নথি, যা প্রমাণ করে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জীবিত রয়েছেন৷ এবং তিনি পেনশন পাওয়ার যোগ্য।
4
9
সাধারণত কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের পেনশনভোগী এবং এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত পেনশন বিতরণকারী সংস্থার আওতাভুক্ত ব্যক্তিরা ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতে পারেন। তবে কোন সংস্থা এই সুবিধা দিচ্ছে, তা সংশ্লিষ্ট পেনশন কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত হয়।
5
9
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইফ সার্টিফিকেট জমা না দিলে পেনশন পাওয়ায় সমস্যা বা বিলম্ব হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পরেই ফের পেনশন চালু হয়। তাই সময়সীমা মেনে এই কাজটি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
6
9
ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার আগে আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে সংযুক্ত মোবাইল নম্বর,
PPO (Pension Payment Order) নম্বর, ব্যাঙ্ক বা পেনশন অ্যাকাউন্টের তথ্য, প্রয়োজন হলে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণের ব্যবস্থা,
এছাড়া আধারের সঙ্গে মোবাইল নম্বর আপডেট রয়েছে কি না, সেটিও আগে নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।
7
9
অনুমোদিত জীবন প্রমাণ কেন্দ্র, নির্দিষ্ট পরিষেবা কেন্দ্র বা অংশগ্রহণকারী সংস্থার মাধ্যমে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রে অনলাইন বা বাড়িতে গিয়েও এই পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
8
9
লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার পরে সেটি সফলভাবে গ্রহণ করা হয়েছে কি না, তা অবশ্যই যাচাই করুন। এতে ভবিষ্যতে পেনশন সংক্রান্ত কোনও জটিলতা এড়ানো সম্ভব হবে।
9
9
মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা আধারের তথ্য পরিবর্তন হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দফতরে তা আপডেট করুন। পুরনো তথ্য থাকলে যাচাইকরণে সমস্যা হতে পারে এবং পেনশন পেতে দেরি হতে পারে।