বর্তমান যুগে সব কিছুই ডিজিটালাইজ করার অপশন রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নথি যাতে হারিয়ে না যায় সে কারণে অনেকেই সফট কপি, দরকার পড়লে ছবি তুলে ফোনে সেভ করে রাখছেন।
2
12
তবে এখন গুরুত্বপূর্ণ নথির ডিজিটাল ভার্সনও এসে গেছে। আধার কার্ড, রেশন কার্ডের মতো নথির ডিজিটাল ভার্সন ফোনে রাখা যায়। সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে জন্ম শংসাপত্রও।
3
12
বর্তমানে সরকারি বহু পরিষেবার মতো জন্ম শংসাপত্র তৈরির প্রক্রিয়াও অনলাইনে সম্পন্ন করা যাচ্ছে। ফলে সরকারি অফিসে বারবার যাওয়ার ঝামেলা চুকে গেল পুরোপুরি।
4
12
বাড়িতে বসে নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করা সম্ভব। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক, প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করলে বিভিন্ন বয়সের আবেদনকারীদের জন্যও এই পরিষেবা উপলব্ধ।
5
12
অনলাইনে আবেদন করবেন কীভাবে? মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে প্রথমে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত বার্থ এবং ডেথ সার্টিফিকেট রেজিস্ট্রেশন পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে।
6
12
যাঁরা প্রথমবার আবেদন করছেন, তাঁদের আগে নতুন করে সাইন আপ তৈরি করতে হবে। রেজিস্ট্রেশনের সময় নাম, মোবাইল নম্বর-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিতে হবে। অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়ে গেলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ-ইন করতে হবে।
7
12
এরপরেই দেখতে পাবেন বার্থ সার্টিফিকেটের অপশন। সেখানে অনলাইন ফর্মে আবেদনকারীর নাম, জন্মের তারিখ, জন্মস্থান, বাবা-মায়ের তথ্য-সহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
8
12
এরপর প্রয়োজনীয় নথি স্ক্যান করে আপলোড করে সাবমিট করতে হবে। তারপর আপনি একটি রেফারেন্স নম্বর পাবেন। পরে সেই নম্বরের সাহায্যেই অ্যাপ্লিকেশনের স্ট্যাটাস দেখা যায়।
9
12
যদি কোনও শিশুর জন্মের ২১ দিনের মধ্যে আবেদন করা হয়, তাহলে সাধারণত হাসপাতালের দেওয়া জন্ম-সংক্রান্ত নথি বা ডিসচার্জ সার্টিফিকেট এবং বাবা-মায়ের প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র থাকলেই আবেদন করা যায়।
10
12
অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্কদের ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে কিছু অতিরিক্ত নথি জমা দিতে হয়।
11
12
সেখানে এসডিএমের নির্দেশিকা, একটি হলফনামা এবং আবেদনকারীর পরিচয় প্রমাণ হিসেবে আধার কার্ড, প্যান কার্ড বা পাসপোর্টের মতো বৈধ পরিচয়পত্র থাকলেই কাজ হয়ে যাবে ঘরে বসে।
12
12
আবেদন করতে গেলে লগইন করতে হবে crsorgi.gov.in ওয়েবসাইটে। তবে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এসডিএমের নির্দেশিকা পেতে ১০ টাকার একটা স্ট্যাম্পপেপার লাগে। বাকি গোটাটাই বিনামূল্যে।