আপনি যদি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে সরকারের পিপিএফ প্রকল্প আপনার জন্য খুব উপযোগী হতে পারে। পিপিএফ হল অন্যতম নির্ভরযোগ্য দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ পরিকল্পনা। অনেকেই তাদের অবসরকালীন পরিকল্পনা এবং সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন। এই প্রকল্পের বিশেষত্ব হল, আপনি মাত্র ৫০০ টাকা দিয়ে বিনিয়োগ শুরু করতে পারেন।
2
6
বর্তমানে, পিপিএফ প্রকল্পে বার্ষিক ৭.১ শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যায়। এই প্রকল্পের আরেকটি ভাল দিক হল, এটি মেয়াদপূর্তিতে করমুক্ত আয় প্রদান করে। এবার জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে এই প্রকল্পে মাসিক ১২,৫০০ টাকা বিনিয়োগ করে ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি করমুক্ত তহবিল তৈরি করা যায়।
3
6
আপনি যদি একটি আর্থিক বছরে দেড় লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি বার্ষিক ৭.১ শতাংশ হারে সুদ পাবেন। এই সুদের উপরেও সুদ পাওয়া যায়, অর্থাৎ চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ বাড়ে। এই প্রকল্পের বিনিয়োগের সময়কাল হল ১৫ বছর। আপনি যদি ১৫ বছর ধরে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার মোট বিনিয়োগ হবে ২২.৫০ লক্ষ টাকা। এরপর, মেয়াদপূর্তিতে আপনি ৪০,৬৮,২০৯ টাকা পাবেন।
4
6
পিপিএফ-এ চক্রবৃদ্ধি সুদের শক্তি: পিপিএফ হল হল ভারত সরকার সমর্থিত একটি দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় প্রকল্প। এর অর্থ হল, এতে বিনিয়োগে কোনও ঝুঁকি নেই। এসআইপি-র রিটার্ন শেয়ার বাজারের ওঠানামার উপর নির্ভর করে। পিপিএফ-এ রিটার্ন চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ে। এই প্রকল্পে অর্জিত সুদের হার চার বছর পর্যন্ত স্থির থাকে। নিরাপত্তা এবং কর ছাড়ের সুবিধা এইঈ প্রকল্পকে আরও নিরাপদ ও কর-সাশ্রয়ী করে তোলে। এই প্রকল্পটি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি চমৎকার বিকল্প।
5
6
কীভাবে একটি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলবেন? যেকোনো ভারতীয় নাগরিক নিজের নামে বা তার সন্তানের নামে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। আপনি এই অ্যাকাউন্টটি অনলাইনে বা অফলাইনে খুলতে পারেন। এই প্রকল্পের অধীনে একটি অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রের প্রয়োজন হয়।
6
6
এই প্রকল্প খুলতে আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড, নমিনি ঘোষণার ফর্ম, ঠিকানার প্রমাণপত্র এবং পাসপোর্ট ছবি-র প্রয়োজন। আপনি যেকোনও ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসে গিয়ে পিপিএফ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন।