প্রেম। পার্সোনাল। পলিটিক্যাল। পার্সোনাল জীবন পলিটিক্যাল কতখানি তা নিয়ে আলোচনা হাজার। তবে বাংলার রাজনীতিতে আদতেই 'তাঁদের' পার্সোনাল প্রেম একসময়ে অতিমাত্রায় 'পলিটিক্যাল' আলোচনা হয়ে উঠেছিল।
2
9
সরকারে থাকা দলের নেতা-মন্ত্রী এমনকী খোদ মুখ্যমন্ত্রীও জড়িয়ে গিয়েছিলেন, সেই জুটির প্রেম নাকি এবার 'সাবালক'।
3
9
আজকাল ডট ইন-কে তেমনটাই বলছেন বৈশাখী ব্যানার্জি। ১৮ বছর আগে দেখা কীভাবে? পুজোর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বৈশাখী।
4
9
শোভন গিয়েছিলেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে। বৈশাখীর কলেজে তখন বিস্তর সমস্যা। সেই সমাধান খুঁজতেই কথা। বৈশাখীর সমস্যার সমাধান খুঁজে দিয়েছিলেন শোভন দিন দুইয়ের মধ্যে।
5
9
সেখান থেকেই 'ভাললাগা'র শুরু! তারপর থেকেই ভাবনার আদান-প্রদান। দেখা সাক্ষাৎ কখনও। শোভন চ্যাটার্জি মেয়র হন তারপরে। তবে মেয়র শোভন শোভন চ্যাটার্জির বন্ধু হিসেবে পরিচিত হতে চাননি।
6
9
বৈশাখী বলছেন, তবে নারদা স্টিং অপারেশনের সময় বন্ধুত্ব আরও গাঢ় হয় দু'জনের। তাঁর মনে হয়, কোথাও গিয়ে, দু'জনের ব্যক্তিজীবনের 'শূন্যতা'অ কারণ বন্ধুত্ব গভীর হওয়ার।
7
9
তারপরেই, বৈশাখীর ব্যক্তি জীবনের বিপর্যয়ের দিনেই, তাঁর বাড়িতে বন্ধু হিসেবে থাকার জায়গা দিয়েছিলেন শোভন। ধীরে ধীরে মতাদর্শ-মূল্যবোধ শক্ত করেছে সম্পর্কের ভিত। অন্যদিকে মেয়ের কথাও ভাবাত 'মা' বৈশাখীকে।
8
9
শোভনের 'প্রেম প্রস্তাব' নতুন জীবনের সূচনা করেছিল, ফিরে দেখা দিনের কথা মনে করে তেমনটাই মত বৈশাখীর।
9
9
একইসঙ্গে ক্ষোভ, নিজেদের ব্যক্তিজীবনের মধ্যে একাধিক মানুষের ঢুকে পড়ে মতামত দেওয়ার ঘটনায়। তবে ১৮ বছর পেরিয়ে বৈশাখী বলছেন, 'আমার সবচেয়ে আনন্দের জায়গা, একদিকে সমাজে এই ভালবাসার কারণে সমালোচনা শুনেছি প্রচুর, অন্যদিকে বহু মহিলা, যাঁরা ভালবাসার, অধিকারের জন্য যে লড়াই করেন, তাঁদের থেকেও আমি ভালবাসা পেয়েছি। শোভনের কারণেই। '