আক্রমণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে পাঞ্জাব এফসি-র নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার এফিয়ং নসুনগুসিকে দলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আইএসএল গোল্ডেন বুট জয়ী ইউসেফ এজেজারির বিদায়ের পর তাঁর জায়গা পূরণ করার দায়িত্ব এখন এই ফরোয়ার্ডের কাঁধে।
2
9
গত মরশুমে পাঞ্জাব এফসির হয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেছিলেন এফিয়ং। আইএসএলে তিনি ৭টি গোল করে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে উঠেছিলেন। বড় ম্যাচে গোল করার ক্ষমতা এবং চাপের মুহূর্তে পারফর্ম করার দক্ষতার জন্যই তাঁকে বেছে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।
3
9
সাম্প্রতিককালে ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম সমস্যা ছিল একজন নির্ভরযোগ্য গোলদাতার অভাব। একাধিক স্ট্রাইকার দলে এলেও খুব কমজনই নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছেন। ইউসেফ এজেজারি সেই তালিকার অন্যতম ব্যতিক্রম ছিলেন। তাঁর জায়গায় এফিয়ং কতটা সফল হন, সেটাই এখন দেখার।
4
9
নতুন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের কৌশলের সঙ্গে এফিয়ংয়ের খেলার ধরন ভালোভাবে মানিয়ে যেতে পারে। হাবাস সাধারণত সংগঠিত মিডফিল্ড, জোনাল প্লে এবং দ্রুত আক্রমণের উপর জোর দেন। এমন পরিস্থিতিতে একজন শক্তিশালী ও গতিশীল স্ট্রাইকার দলের জন্য বড় সম্পদ হতে পারেন।
5
9
এফিয়ং শুধু বক্সের মধ্যে ফিনিশার নন, তিনি জায়গা তৈরি করতে পারেন, ডিফেন্ডারদের টানতে পারেন এবং প্রয়োজনে উইংয়েও সরে গিয়ে আক্রমণ তৈরি করতে পারেন। তাঁর শারীরিক সক্ষমতা, বল নিয়ন্ত্রণ এবং অফ দ্য বল মুভমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে পারে।
6
9
হাবাস যদি মাঝমাঠ থেকে পজেশন ধরে রেখে উইং দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলেন, তাহলে এফিয়ং আরও বেশি গোলের সুযোগ পেতে পারেন। বিশেষ করে কাউন্টার অ্যাটাকে তাঁর গতি ও ফাঁকা জায়গা কাজে লাগানোর ক্ষমতা প্রতিপক্ষের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।
7
9
গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গল অস্কার ব্রুজ়োঁর অধীনে আইএসএল জিতেছিল। তবে নতুন মরশুমে কোচ বদলের সঙ্গে সঙ্গে দলের খেলার ধরনেও পরিবর্তন আসবে। সেই নতুন পরিকল্পনায় এফিয়ং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন।
8
9
এফিয়ংয়ের সবচেয়ে বড় গুণ তাঁর বহুমুখিতা। তিনি দূরপাল্লার শট নিতে পারেন, প্রয়োজন হলে উইংয়ে সরে গিয়ে জায়গা তৈরি করতে পারেন এবং সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারেন।
9
9
ইউসেফ এজেজারির মতো সফল স্ট্রাইকারের জায়গা পূরণ করা সহজ নয়। তবে পাঞ্জাবের হয়ে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করার পর এফিয়ং এখন ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে নতুন চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত। লাল-হলুদ সমর্থকদের আশা, নতুন মরশুমে তিনিই হতে পারেন দলের প্রধান গোলের অস্ত্র।