জৈব সারের চাহিদা বিশ্বব্যাপী বাড়ছে। কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় দেশগুলিতে রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বায়োগ্যাস ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থায় এর ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে ভারতে গোবর ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম বাড়ছে।
2
8
অনুমান করা হচ্ছে যে, ২০২৫ থেকে ২০৩২ সালের মধ্যে সারের বাজার বার্ষিক প্রায় ৬.৫% চক্রবৃদ্ধি হারে প্রসারিত হবে। ২০২৫ সালের এর বাজার আনুমানিক ৮০৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩২ সালের মধ্যে তা বেড়ে ১,২৪৮.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।
3
8
কাঁচা গোবরের দাম প্রতি কেজি প্রায় ৩০ থেকে ৫০ টাকা। উপসাগরীয় দেশের ক্রেতারা কখনও কখনও প্রতি কেজি ৫০ টাকা পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহন খরচের কারণে খুচরা এবং রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধি পায়।
4
8
সারের দাম গুণমান এবং প্যাকেজিং অনুসারে পরিবর্তিত হয়। ২০ ইউনিটের প্যাকের দাম ৫০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে থাকে। অন্যদিকে, প্রিমিয়াম ৫ ইউনিটের প্যাকের দাম ২০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
5
8
২০২৩-২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, ভারত ১২৫ কোটি টাকার কাঁচা গোবর এবং ১৭৩.৭ কোটি টাকার গোবর সার রপ্তানি করেছে। মোট রপ্তানি ৪০০ কোটি টাকারও বেশি ছাড়িয়ে গিয়েছে। দাম ক্রমশ বাড়ছে।
6
8
সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সৌদি আরব এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলিতে ভারতীয় গরুর গোবরের ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে। ২০২৩-২৪ সালে ভারত ৪০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের গোবর-ভিত্তিক পণ্য রপ্তানি করেছে, যা বিদেশে প্রায় ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।
7
8
বেঙ্গালুরুতে এই পণ্যগুলি ইকো-স্টোর এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। ৫০ হাজার থেকে দু’লক্ষ টাকা প্রাথমিক বিনিয়োগই যথেষ্ট এবং বাজার ভালভাবে ধরতে পারলে মাসিক ৫০,০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুনাফা অর্জন করা সম্ভব।
8
8
সার ছাড়াও গোবর দিয়ে বায়ো-লগ, ভার্মিকম্পোস্ট, কাগজ, বাতি এবং প্রতিমার মতো অন্যান্য দরকারি জিনিস তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, গোবরের জ্বালানি কাঠ প্রতি কেজি প্রায় ১০-১৫ টাকায় বিক্রি হয়। এই পণ্যগুলি বেঙ্গালুরুর পরিবেশ-সচেতন উপভোক্তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়।