চলতি বছরের মাঘ পূর্ণিমা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পড়েছে। এদিন ভোর ৫টা ৫২ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি লাগবে, ছাড়বে ২ ফেব্রুয়ারি প্রায় মধ্যরাতে। অর্থাৎ ৩টে ৩৮ মিনিটে। হিন্দু জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই তিথিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই দিন কিছু নির্দিষ্ট টোটকা করলে দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পাওয়া যায়। ছবি- সংগৃহীত
2
7
যদি আপনি অর্থকষ্টে ভুগে থাকেন, জীবন থেকে বাধা বিপত্তি দূর না হয় তাহলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এই ৫ টোটকার একটি করুন। ধারেকাছে ঘেঁষবে না অর্থ সংকট। ছবি- সংগৃহীত
3
7
প্রথমত, মাঘ পূর্ণিমার দিন সকালে বিধি মেনে বিষ্ণুর পুজো করুন। পুজোর চৌকি বা পিঁড়ির উপর লাল কাপড় রেখে তার উপর লক্ষ্মী নারায়ণের মূর্তি বা ছবি রাখুন। তারপর পুজো করুন। এতে তাদের কৃপায় কখনও আর্থিক সমস্যায় ভুগতে হবে না। ছবি- সংগৃহীত
4
7
মাঘ পূর্ণিমার তিথি পূর্বপুরুষদের কৃপা পাওয়ার আদর্শ দিন। ফলে এদিন তাঁদের উদ্দেশ্যে তর্পণ এবং শ্রাদ্ধ করতে পারেন। যদি কারও পিতৃদোষ থেকে থাকে, এই টোটকা করলে সেটা কেটে যাবে। একই সঙ্গে টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যায় পড়লে সেটা কেটে যাবে। ছবি- সংগৃহীত
5
7
দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে চাইলে গরীব দুঃখীদের ভোজন করান। কাপড় দান করুন। এটা করলে দেবীর কৃপায় অর্থকষ্ট দূর হবে। কখনও কোনও বিপদে পড়তে হবে না। ছবি- সংগৃহীত
6
7
মাঘ পূর্ণিমার দিন তিল, কম্বল, গুড়, ঘি, মিষ্টি, ফল, অন্ন, ইত্যাদি দান করাও অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। এতেও প্রসন্ন হন দেবী লক্ষ্মী এবং বিষ্ণু। ছবি- সংগৃহীত
7
7
এছাড়া মাঘী পূর্ণিমার দিন বাড়িতে সত্যনারায়ণের পুজো করতে পারেন। সিন্নি দিতে পারেন। কীর্তন বা নামসংকীর্তনের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। এটি করলে সেই ব্যক্তিকে কখনই অর্থকষ্টে ভুগতে হয় না। বিলাসবহুল জীবন কাটাতে পারেন। ছবি- সংগৃহীত