প্রয়াত পরিচালক গৌতম হালদার। শোকস্তব্ধ তাঁর ‘ভাল থেকো’র নায়িকা বিদ্যা বালন। তাঁর প্রথম ছবির পরিচালক তিনি। নায়িকার হয়ে আজকাল ডট ইনকে তাঁর আপ্ত সহায়ক জানিয়েছেন, কথা বলার মতো অবস্থায় নেই তিনি। কলকাতায় রওনা হয়েছেন। গৌতমবাবুর শেষকৃত্যে যোগ দেবেন। একই অনুভূতি ছবির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়েরও। তিনি আজকাল ডট ইনের থেকে প্রথম খবর পান। বলেন, ‘‘ভাবতেই পারছি না। গৌতমকাকু নেই। আমার মা-বাবার খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। ফলে, পরিচালক নয়, পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে জানতাম।’’ 

পরমব্রতর স্মৃতিচারণায়, ‘‘আমি তখন অনেকটাই ছোট। বয়স ২১ কি ২২। সেই সময় গৌতমকাকু আমায় ‘ভাল থেকো’র জন্য ডেকেছিলেন। ফলে, ছবি ঘিরে পরিচালক-অভিনেতার সাধারণত যে স্মৃতি থাকে সেটা আমার নেই। হাসিঠাট্টার মধ্যে দিয়ে অন্তরঙ্গ ভাবে শুট হয়েছিল।’’ তাঁর আরও দাবি, শুধুই ছবির পরিচালক নন, নাটক বা সাহিত্যের দুনিয়াতেও গৌতমবাবুর প্রচণ্ড পাণ্ডিত্য। যে কোনও বিষয় নিয়ে অনর্গল কথা বলে যেতে পারতেন। পারিবারিক বন্ধুত্ব থাকার সুবাদে সুযোগ পেলেই আড্ডা জমত।

নিজের কাজ নিয়ে, পরিচালনা নিয়ে কখনও পরামর্শ নিতেন পরমব্রত? প্রযোজক-পরিচালক-অভিনেতার কথায়, ‘‘সম্পর্কটা এতই গভীর ছিল যে কাজ নিয়ে কথা বলার মতো চিন্তা কখনও মাথায় আসেনি। খুব দিলখোলা, অমায়িক মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ওঁর কাছে বসে নানা বিষয় শুনতে বেশি ভাল লাগত।’’ এও জানিয়েছেন, প্রয়াত গৌতম হালদারের মেয়ে গত ১৫ বছর ধরে পরমব্রতকে ভাইফোঁটা দেন। এবছরের ভাইফোঁটার আগে তাই নতুন করে মনখারাপে ডুববেন অভিনেতা।