প্রায় পাঁচ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। ফের একবার বড়পর্দায় 'স্পাইডার ম্যান' রূপে কামব্যাক করছেন টম হল্যান্ড। সঙ্গে জেনডায়া এবং জ্যাকব বাটালন। মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের (MCU) বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘স্পাইডার ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ প্রেক্ষাগৃহে আসার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আর ছবি মুক্তির আগেই ফ্যানদের উন্মাদনা তুঙ্গে! সোশ্যাল মিডিয়ার চারদিকে ঘুরপাক খাচ্ছে একাধিক চমকানো ফ্যান থিওরি। পিটারের শরীরেই কি এবার ঘটে চলেছে বড় ধরনের জৈবিক পরিবর্তন? না কি এক্স মেন-এর ন গ্রে-র টেলিপ্যাথিক ক্ষমতাই ফিরিয়ে দেবে এমজে আর নেডের স্মৃতি? আসুন চোখ রাখা যাক সেই সেরা থিওরিগুলোতে, যা সিনেমা দেখার আগে আপনার কৌতূহল দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেবে!

.পিটার কি এবার 'ম্যান-স্পাইডার'? 

ছবির ট্রেলার এবং টিজার লিক হওয়ার পর থেকেই সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে পিটারের 'জেনেটিক মিউটেশন'। শোনা যাচ্ছে, এই ছবিতে পিটার পার্কার নিজের শরীরের অদ্ভুত কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন— সে ধীরে ধীরে একজন মানুষের রূপ হারিয়ে আসল মাকড়সার মতো রূপ ধারণ করতে চলেছে! ফ্যানদের দাবি, বহু হাত বিশিষ্ট 'ম্যান-স্পাইডার' অবতারে দেখা যেতে পারে টম হল্যান্ডকে, যেখানে তার শরীর থেকেই তৈরি হবে অর্গানিক ওয়েব। আর এই শারীরিক সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতেই সে সাহায্য নেবে মার্ভেল ইউনিভার্সের অন্যতম সায়েন্টিস্ট ব্রুস ব্যানার ওরফে 'দ্য হাল্ক'-এর (মার্ক রাফালো)।

ডিপার্টমেন্ট অফ ড্যামেজ কন্ট্রোল এবং জিন গ্রে-র ওপর নজরদারি!

অন্য একটি চমকপ্রদ থিওরি বলছে, পিটার এবার 'ডিপার্টমেন্ট অফ ড্যামেজ কন্ট্রোল'-এর সঙ্গে  হাত মিলিয়ে ভিনগ্রহের প্রাণী ও মিউট্যান্টদের ওপর নজর রাখবে। আর ঠিক এই মাঝেই আগমন ঘটবে স্যাডি সিঙ্ক অভিনীত এক্স-মেন চরিত্র 'জীন গ্রে'-র। শহরে জিন গ্রে-র তাণ্ডব থামাতে পিটারকে সাহায্য করতে দেখা যেতে পারে 'দ্য পানিশার'কে!


সত্যিই কি সবাই ভুলে গেছে পিটার পার্কারকে?

‘স্পাইডার ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর শেষে ডক্টর স্ট্রেঞ্জের সেই মন্ত্রের কথা সবার মনে আছে নিশ্চয়ই? পিটারের অস্তিত্বই মুছে গিয়েছিল সবার মন থেকে। কিন্তু ফ্যানদের বিশ্বাস, এই ছবিতে কেউ না কেউ নিশ্চয়ই পিটারকে চিনে ফেলবে!

 

কেউ মনে করছেন টাইম ট্রাভেল করে আসা ক্যাপ্টেন আমেরিকা পিটারের পরিচয় জানবে, আবার অনেকের মতে, জিন গ্রে নিজের পাওয়ার ব্যবহার করে এমজে এবং নেডের মাথা থেকে স্ট্রেঞ্জের সেই 'মাইন্ড-ওয়াইপ' স্পেল ভেঙে দেবে।


ছবি সংক্রান্ত কিছু জরুরি তথ্য:

পরিচালক: ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রাফটন।

ছবির তারকারা : টম হল্যান্ড, জেনডায়া, জ্যাকব বাটালন, জন বার্নথাল, মার্ক রাফালো এবং স্যাডি সিঙ্ক।

ভারতে মুক্তি: ইংরেজি, হিন্দি, তামিল, তেলুগু, মালায়ালম এবং কন্নড় ভাষায়।

আইরন ম্যানের হাত ধরে যার যাত্রা শুরু হয়েছিল, সেই পিটার পার্কার এবার নিজের অস্তিত্ব রক্ষার নতুন লড়াইয়ে কোন চমক দেখায়, তা দেখার জন্যেই অধীর আগ্রহে দর্শকেরা। 

আচ্ছা, আপনার মনেও কি এই ছবি নিয়ে এমন কোনও থিওরি আসছে?